ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলা স্কুল মোড় থেকে বরিশাল দালান যেতে লাগছে ১৫-২০ মিনিট, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

 

ভোলা শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অতিরিক্ত চাপ এবং যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার কারণে প্রতিদিনই তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন বাজার, বাংলা স্কুল মোড়, কালীনাথ বাজার, সদর রোড ও বরিশাল দালান এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। বাংলা স্কুল মোড় থেকে বরিশাল দালান পর্যন্ত মাত্র কয়েকশ মিটার পথ অতিক্রম করতেই সময় লাগছে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। অথচ একই পথ হেঁটে যেতে স্বাভাবিকভাবে সময় লাগে মাত্র ৩ থেকে ৪ মিনিট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড থাকা সত্ত্বেও অনেক চালক রাস্তার ওপরই গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করান। ফলে মুহূর্তের মধ্যেই যানজট তৈরি হয় এবং পুরো সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, “পৌরসভা নির্ধারিত স্থান করে দিলেও অনেক অটোরিকশা চালক রাস্তার ওপরই দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে প্রতিদিন দোকানে আসতে দেরি হয়, ব্যবসারও ক্ষতি হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
এক শিক্ষার্থী বলেন, “সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অল্প একটি রাস্তা পার হতে ১৫-২০ মিনিট লেগে যায়। অনেক সময় দেরি হওয়ায় ক্লাসও মিস করতে হয়।”
এক রিকশাচালক বলেন, “অনেক অটোরিকশা যেখানে-সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে। এতে সব ধরনের যানবাহন আটকে যায়। আমাদেরও দীর্ঘ সময় যানজটে বসে থাকতে হয়।”
সচেতন নাগরিকদের মতে, লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ও রুট নিশ্চিত করা, রাস্তার ওপর অবৈধ পার্কিং বন্ধ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে যানজট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ভোলা শহরের বাসিন্দাদের দাবি, যানজট নিরসনে প্রশাসন, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় দিন দিন এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বাংলা স্কুল মোড় থেকে বরিশাল দালান যেতে লাগছে ১৫-২০ মিনিট, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

ভোলা শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অতিরিক্ত চাপ এবং যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার কারণে প্রতিদিনই তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন বাজার, বাংলা স্কুল মোড়, কালীনাথ বাজার, সদর রোড ও বরিশাল দালান এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। বাংলা স্কুল মোড় থেকে বরিশাল দালান পর্যন্ত মাত্র কয়েকশ মিটার পথ অতিক্রম করতেই সময় লাগছে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। অথচ একই পথ হেঁটে যেতে স্বাভাবিকভাবে সময় লাগে মাত্র ৩ থেকে ৪ মিনিট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড থাকা সত্ত্বেও অনেক চালক রাস্তার ওপরই গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করান। ফলে মুহূর্তের মধ্যেই যানজট তৈরি হয় এবং পুরো সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, “পৌরসভা নির্ধারিত স্থান করে দিলেও অনেক অটোরিকশা চালক রাস্তার ওপরই দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে প্রতিদিন দোকানে আসতে দেরি হয়, ব্যবসারও ক্ষতি হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
এক শিক্ষার্থী বলেন, “সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অল্প একটি রাস্তা পার হতে ১৫-২০ মিনিট লেগে যায়। অনেক সময় দেরি হওয়ায় ক্লাসও মিস করতে হয়।”
এক রিকশাচালক বলেন, “অনেক অটোরিকশা যেখানে-সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে। এতে সব ধরনের যানবাহন আটকে যায়। আমাদেরও দীর্ঘ সময় যানজটে বসে থাকতে হয়।”
সচেতন নাগরিকদের মতে, লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ও রুট নিশ্চিত করা, রাস্তার ওপর অবৈধ পার্কিং বন্ধ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে যানজট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ভোলা শহরের বাসিন্দাদের দাবি, যানজট নিরসনে প্রশাসন, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় দিন দিন এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াবে।