ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে মানব পাচার ও অপহরণ দমনে জুমার মসজিদে ওসির বিশেষ বক্তব্য

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া মানব পাচার ও অপহরণ রোধে স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম।
৩১ জুলাই (শুক্রবার) টেকনাফ মডেল থানা জামে মসজিদে জুমার খুতবার পূর্বে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনায় তিনি অপরাধ দমনে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
ওসি মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, “টেকনাফের চলমান পরিস্থিতিতে মানব পাচার এবং অপহরণের মতো অপরাধ সমাজকে প্রতিনিয়ত কলঙ্কিত করছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের কারণে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তবে এই অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।”
তিনি মুসল্লি ও স্থানীয় অভিভাবকদের সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে আরও বলেন, “নিজের সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার ওপর নজর রাখুন। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা সন্দেহভাজন চক্রের লোভনীয় প্রস্তাবে প্রলুব্ধ হবেন না। এলাকায় কোনো অপহরণ বা মানব পাচারকারী চক্রের তৎপরতা চোখে পড়লে কিংবা সন্দেহজনক কিছু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে টেকনাফ মডেল থানাকে জানান। তথ্যাভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।”
মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিরা ওসির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত করতে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। জুমার নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টেকনাফে মানব পাচার ও অপহরণ দমনে জুমার মসজিদে ওসির বিশেষ বক্তব্য

আপডেট সময় : ০২:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া মানব পাচার ও অপহরণ রোধে স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম।
৩১ জুলাই (শুক্রবার) টেকনাফ মডেল থানা জামে মসজিদে জুমার খুতবার পূর্বে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনায় তিনি অপরাধ দমনে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
ওসি মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, “টেকনাফের চলমান পরিস্থিতিতে মানব পাচার এবং অপহরণের মতো অপরাধ সমাজকে প্রতিনিয়ত কলঙ্কিত করছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের কারণে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তবে এই অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।”
তিনি মুসল্লি ও স্থানীয় অভিভাবকদের সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে আরও বলেন, “নিজের সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার ওপর নজর রাখুন। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা সন্দেহভাজন চক্রের লোভনীয় প্রস্তাবে প্রলুব্ধ হবেন না। এলাকায় কোনো অপহরণ বা মানব পাচারকারী চক্রের তৎপরতা চোখে পড়লে কিংবা সন্দেহজনক কিছু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে টেকনাফ মডেল থানাকে জানান। তথ্যাভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।”
মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিরা ওসির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত করতে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। জুমার নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।