গাইবান্ধা জেলা সার্বিক দিক-নির্দেশনায় ডিবি, গাইবান্ধা জেলা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৮৮ (আটাশি) বস্তা=২২০০ কেজি শাহ জিরা উদ্ধার ও ২ জন আসামীকে গ্রেফতার ও এক জন পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত হলেন, মোঃ শাহজালাল ইসলাম (২৫) পিতা- মো: রুহুল আমিন সাং-পশ্চিম বেড়াডাঙ্গা ( গণেষপুর) থানা- পলাশবাড়ী, জেলা- গাইবান্ধা।
মোঃ নওশাদ হাসান( আতিক)(৩০) পিতা-মোঃ নাজমুল হক সাং- আমতলী, থানা- সারিয়াকান্দি, জেলা- বগুড়া। বর্তমান শশুর বাড়ি গয়েশপুর পলাশ বাড়ি, গাইবান্ধা
পলাতক আসামী ও মূল হোতা মোঃ শাহিন আলম রাজা বাজার, থানা- বগুড়া সদর,জেলা- বগুড়া।
গাইবান্ধা জেলার সুযোগ্য ও সম্মানিত পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দীন দিক-নির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা( ডিবি), গাইবান্ধার নেতৃত্বে গত ২৯/৭/২৬ ইং তারিখ সময় রাত ১০.৩৫ ঘটিকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া গাইবান্ধা সদর থানা এলাকা হইতে ট্রলি যোগে বস্তাভর্তি জিরা নিয়ে পলাশবাড়ী যাওয়ার পথে পুলিশ সুপারের কার্যালয় গাইবান্ধা এর প্রধান ফটকের সামনে টলি ভর্তি জিরাসহ গোডাউন ঘর তল্লাশি করিয়া অবৈধ জিরা প্যাকেজিং করার ৮৮ প্লাস্টিকের বস্তায় ২৫ কেজি করে জিরে যাহার ওজন ২২০০ কেজি, যাহার মূল্য ১৩ লক্ষ বিশ হাজার টাকা, ৩০টি প্লাস্টিকের সাদা খালি বস্তা এবং ভারতীয় মার্কা খালি ১০ বস্তা জব্দ করা হয়। আসামিদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় শাহীন জিরা চোরা চালান ব্যবসার মূল হোতা। এই সংক্রান্তে গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং-৫৬ তারিখ ৩০/০৭/২০২৬ খ্রি: ধারা- ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫- বি এর১( বি)/২৫- ডি রুজু হইয়াছে।
প্রেস বিফ্রিং-গাইবান্ধা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ শরীফ আল রাজীব পিপিএম, শেখ মুত্তাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) এবং মোঃ আব্দুল মোত্তালিব সরকার, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ), অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
(মোঃইসমাইল সিরাজী) গাইবান্ধা প্রতিনিধি 



















