ভ্রাম্যমান তথ্যচিত্রের মাধ্যমে একজন পান চাষির সাফল্য ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার চিত্র তুলে ধরা হলো।
বান্দরবান জেলার সর্ব দক্ষিণ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকার বাইশপারী গ্রামের স্হানীয় বাসিন্দা পান চাষী মোহাম্মদ আলমের (প্রকাশ মোঃ আলী)সাথে কথোপকথনের বর্ণনা।
আমি মোহাম্মদ আলম দীর্ঘ ২০/২৫ বছর যাবৎ কাল ধরে একাধারে পান চাষ করে আসতেছি, এই পান চাষে আমার সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা বলে শেষ করা যাবেনা,এই চাষে আমি উল্লেখযোগ্য সাফল্য না পেলেও একটা সংসারের ভরণপোষণের একমাত্র সম্বল বলে মনে করে এটাকে আমি নিজের পেশা হিসাবে চালিয়ে যেতে বাধ্য হয়ে বছরের পর বছর এই পান চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি।
###এখানে ওই পান চাষীর ভাষ্যমতে- এই বাইশপরী গ্রামে অন্তত আরো প্রায় ৫০-৬০টি পরিবার সরাসরি পান চাষের উপর ভিত্তি করে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমে পারিবারিক সচ্চলতার আশায় থাকে,যে আশায় কৃষকের সফলতা ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন গাঁথা থাকার কথা সেখানে বর্তমান বাজারে পান চাষের কাঁচামাল( উপকরণ) সহজলভ্য না হওয়া এবং চাষিদের কর্মদক্ষতার অভাব পান চাষে আশানুরূপ লাভবান হওয়ার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অনেক পান চাষি তাদের হতাশার কথা প্রকাশ করেছে।
সেই সাথে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল বন্যায় কবলিত হওয়ায় ব্যাপক আকারে পাহাড় ধ্বস ও ভারি বর্ষণে আমাদের অত্র এলাকার পান চাষিরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মূখিন হওয়া যেনো
“মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ”হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমতাবস্হায়- বন্যার পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতির ধকল পুঁষিয়ে পূঃনরায় এই পান চাষে স্বাভাবিকতা ফিরে পেতে বাইশপারী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদের পক্ষ থেকে জেলা- উপজেলার দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর/কৃষি কর্মকর্তা মহোদয়ের নিকট একটি মানবিক সহায়তার প্রস্তাবনা তুলে ধরা হলো– ১/ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদেরকে মানবিক সহায়তা।
২/পেশাগত পান চাষিদের সরকারি প্রণোদনা।
৩/পান চাষিদের কর্মদক্ষতায় বিশেষ কর্মশালা।
৪/সহজ শর্তে ও স্বল্প সূদে ঋন বিতরণ।
৫/পান চাষিদের কৃষি উপকরণ বিতরণ।
*ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদের পক্ষ থেকে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহোদয়ের বক্তব্য নেওয়ার জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ও তা সম্ভব হয়নি
এইচ এম আব্দুস সাত্তার। 



















