ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাক্ষর জালের অভিযোগ: শোকজে ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল আলমের বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর তাঁর এমপিও (বেতন-ভাতা) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে এবং কেন তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভুয়া ফলাফল শিট তৈরি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে একজন প্রার্থীর এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে অধিদপ্তরের যাচাই-বাছাই কমিটির তদন্তে আবেদনটি পরীক্ষা করে স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত হয় এবং আবেদনটি বাতিলের সুপারিশ করা হয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে জারি করা পত্রে জানানো হয়েছে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ধরনের অভিযোগ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও জনগণের আস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও প্রাপ্ত জবাব পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেবে। অনেকেই আশা করছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

স্বাক্ষর জালের অভিযোগ: শোকজে ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ

আপডেট সময় : ১১:২০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল আলমের বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর তাঁর এমপিও (বেতন-ভাতা) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে এবং কেন তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভুয়া ফলাফল শিট তৈরি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে একজন প্রার্থীর এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে অধিদপ্তরের যাচাই-বাছাই কমিটির তদন্তে আবেদনটি পরীক্ষা করে স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত হয় এবং আবেদনটি বাতিলের সুপারিশ করা হয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে জারি করা পত্রে জানানো হয়েছে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ধরনের অভিযোগ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও জনগণের আস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও প্রাপ্ত জবাব পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেবে। অনেকেই আশা করছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।