ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ ইলিয়োট ব্রিজের পূর্ব পার্শের শুকনো কড়ি গাছের ডাল ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় পথচারীগণ, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

 

 

সিরাজগঞ্জ শহরের বুক চিরে বয়ে চলা কাটাখালি নদী। মূলত এটি যমুনার ই একটি শাখা নদী। ১৮০০ শতাব্দীর দিকে এই খালে পর্যাপ্ত মালবাহী নৌকা আসতো, ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য। তখন ছিল স্রোতস্বিনী নদী । কিন্তু কালের গর্ভে এখন হারিয়ে গেছে সেই স্রোত। দুই পাড়ের জনগণের যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজ নির্মাণ করেন বাংলার তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মিস্টার চার্লস আলফ্রেড ইলিয়োট (ছোট লাট)। ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে তার নাম অনুসারে এই ব্রিজের নাম রাখেন ইলিয়ট ব্রিজ। বর্তমানে এই ব্রিজ কে রং লাগিয়ে আরো দৃষ্টি নন্দন করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন প্রকৃতির সানিন্দ্ব নিতে ছুটে আসেন স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী এবং নানা পেশাজীবী মানুষ। এখানকার অনেক পুরনো কড়ি গাছের নিচে বিশ্রাম নেওয়া পথচারীগণ রয়েছেন আশঙ্কায়। কারণ মাথার উপরে অসংখ্য বড় বড় শুকনো ডাল যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। ঘটতে পারে নানা বিপদ এবং হতাহতের ঘটনা। অনেক পথচারী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন গাছের শুকনো ডালপা কেটে ফেলা হয়। শহরের ছোট বড় সকল শ্রেণী পেশার মানুষের একটু বিনোদন, উন্মুক্ত হাওয়া, গল্প আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু এই ইলিয়োট ব্রিজ। কোন দুর্ঘটনা ঘটার আগেই আশা করি জনগণের স্বার্থে এই বিষয়টি নজরে আনবেন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা ভ্রমণ পিপাসু সাধারণ গণ মানুষের। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি অবগত করে প্রতিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল ইলিয়ট ব্রিজ পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত পথচারীদের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ ইলিয়োট ব্রিজের পূর্ব পার্শের শুকনো কড়ি গাছের ডাল ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় পথচারীগণ, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

আপডেট সময় : ১১:২১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

 

 

সিরাজগঞ্জ শহরের বুক চিরে বয়ে চলা কাটাখালি নদী। মূলত এটি যমুনার ই একটি শাখা নদী। ১৮০০ শতাব্দীর দিকে এই খালে পর্যাপ্ত মালবাহী নৌকা আসতো, ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য। তখন ছিল স্রোতস্বিনী নদী । কিন্তু কালের গর্ভে এখন হারিয়ে গেছে সেই স্রোত। দুই পাড়ের জনগণের যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজ নির্মাণ করেন বাংলার তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মিস্টার চার্লস আলফ্রেড ইলিয়োট (ছোট লাট)। ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে তার নাম অনুসারে এই ব্রিজের নাম রাখেন ইলিয়ট ব্রিজ। বর্তমানে এই ব্রিজ কে রং লাগিয়ে আরো দৃষ্টি নন্দন করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন প্রকৃতির সানিন্দ্ব নিতে ছুটে আসেন স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী এবং নানা পেশাজীবী মানুষ। এখানকার অনেক পুরনো কড়ি গাছের নিচে বিশ্রাম নেওয়া পথচারীগণ রয়েছেন আশঙ্কায়। কারণ মাথার উপরে অসংখ্য বড় বড় শুকনো ডাল যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। ঘটতে পারে নানা বিপদ এবং হতাহতের ঘটনা। অনেক পথচারী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন গাছের শুকনো ডালপা কেটে ফেলা হয়। শহরের ছোট বড় সকল শ্রেণী পেশার মানুষের একটু বিনোদন, উন্মুক্ত হাওয়া, গল্প আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু এই ইলিয়োট ব্রিজ। কোন দুর্ঘটনা ঘটার আগেই আশা করি জনগণের স্বার্থে এই বিষয়টি নজরে আনবেন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা ভ্রমণ পিপাসু সাধারণ গণ মানুষের। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি অবগত করে প্রতিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল ইলিয়ট ব্রিজ পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত পথচারীদের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ।