লালমনিরহাটে মাদক দ্রব্য উদ্ধার অভিযানে গিয়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রাইভেটকার সহ মাদকের বড় চালান ছেরে দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ৪ পুলিশ অফিসারকে ক্লোজ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার।
পুলিশ অফিসাররা হলেন, হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা উপজেলার বোর্ডের হাট বাজার এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালান ওই চার পুলিশ অফিসার। অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল সহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।কিন্তুু জব্দকৃত আলামত থানায় না নিয়ে কৌশল বদলে কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বৈঠক করে রফাদফা করে দরকষাকষির এক পর্যায়ে ১০ লাখ টাকায় এ চালান ছেড়ে দেন পুলিশ অফিসাররা৷ তবে বৈঠকের স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে বিষয়টি জানাজানি হয়।
এ অভিযানিক দলটি গত ১৮ জুলাই উপজেলার ভবানিপুর গ্রামে এমন অভিযানে গেলে গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়ে। এমন অভিযোগ উঠায় জেলা পুলিশ এসবের তদন্ত করতে অভিযুক্তদের লালমনিরহাট পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করেন। একই সাথে ঘটনাটি তদন্তে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ৪ পুলিশ অফিসারকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
মোঃ মফিজুল ইসলাম, আদিতমারী (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি 



















