ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্র্যাক সিডের সবজিতে স্বপ্ন বুনছেন লড়ার কুলের কৃষক ফরিদুল ইসলাম

 

 

পরিশ্রম, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত মানের বীজের সমন্বয়ে সবজি চাষে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার লড়ার কুল এলাকার কৃষক ফরিদুল ইসলাম।

ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের ঈগল করলা, রেনেসাঁ শসা ও ভেনাস চালকুমড়া চাষ করে এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন তিনি।
কৃষক ফরিদুল ইসলাম জানান, উন্নত মানের হাইব্রিড বীজ ব্যবহার, সঠিক পরিচর্যা এবং সময়মতো সার ও সেচ দেওয়ার ফলে তার ক্ষেতে সবজির বৃদ্ধি অত্যন্ত ভালো হয়েছে। গাছগুলোতে প্রচুর ফুল ও ফল এসেছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো উৎপাদনের পাশাপাশি ন্যায্যমূল্য পেলে উল্লেখযোগ্য লাভের আশা করছেন তিনি।
তিনি বলেন, “ব্ল্যাক সিডের উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে আগের তুলনায় ভালো ফলন পাচ্ছি। বাজারে দাম ভালো থাকলে সবজি চাষই আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

স্থানীয় কৃষকদের মতে, উন্নত জাতের বীজ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে কৃষকদের উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভও বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক কৃষক এখন প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি লাভজনক সবজি চাষে ঝুঁকছেন।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ ফলনশীল ও রোগ সহনশীল হাইব্রিড জাতের সবজি চাষ কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সবজি উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত থাকলে এই খাতে আরও সাফল্য অর্জন সম্ভব।
লড়ার কুলের কৃষক ফরিদুল ইসলামের সফলতার প্রত্যাশা এখন শুধু তার নিজের নয়, বরং এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও নতুন করে সবজি চাষে উৎসাহিত করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ব্র্যাক সিডের সবজিতে স্বপ্ন বুনছেন লড়ার কুলের কৃষক ফরিদুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০১:০৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

 

 

পরিশ্রম, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত মানের বীজের সমন্বয়ে সবজি চাষে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার লড়ার কুল এলাকার কৃষক ফরিদুল ইসলাম।

ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের ঈগল করলা, রেনেসাঁ শসা ও ভেনাস চালকুমড়া চাষ করে এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন তিনি।
কৃষক ফরিদুল ইসলাম জানান, উন্নত মানের হাইব্রিড বীজ ব্যবহার, সঠিক পরিচর্যা এবং সময়মতো সার ও সেচ দেওয়ার ফলে তার ক্ষেতে সবজির বৃদ্ধি অত্যন্ত ভালো হয়েছে। গাছগুলোতে প্রচুর ফুল ও ফল এসেছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো উৎপাদনের পাশাপাশি ন্যায্যমূল্য পেলে উল্লেখযোগ্য লাভের আশা করছেন তিনি।
তিনি বলেন, “ব্ল্যাক সিডের উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে আগের তুলনায় ভালো ফলন পাচ্ছি। বাজারে দাম ভালো থাকলে সবজি চাষই আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

স্থানীয় কৃষকদের মতে, উন্নত জাতের বীজ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে কৃষকদের উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভও বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক কৃষক এখন প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি লাভজনক সবজি চাষে ঝুঁকছেন।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ ফলনশীল ও রোগ সহনশীল হাইব্রিড জাতের সবজি চাষ কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সবজি উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত থাকলে এই খাতে আরও সাফল্য অর্জন সম্ভব।
লড়ার কুলের কৃষক ফরিদুল ইসলামের সফলতার প্রত্যাশা এখন শুধু তার নিজের নয়, বরং এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও নতুন করে সবজি চাষে উৎসাহিত করছে।