রাজশাহীর তানোর উপজেলার ১নং কলমা ইউনিয়নের চন্দনকোটা গ্রামে ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে নির্জন পাকা বাড়িতে আটকে রেখে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় একই গ্রামের আব্দুল মতিন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকাল ৪. ৩০ মিনিটে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে চন্দনকোটা গ্রামের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নেয় আব্দুল মতিন। এরপর তাকে গ্রামের একটি নির্জন পাকা বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করা হয়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আব্দুল মতিন এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। “আমার ছেলেকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্জন বাড়িতে আটকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই” – বলেন জুবায়েরের মা
এলাকাবাসী জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে তানোর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রাজু আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার রাজশাহী 



















