ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল! গ্রাহকদের তীব্র ক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিসে ভিড়।

লক্ষ্মীপুরে রায়পুরের জোনাল অফিসে
অস্বাভাবিক এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ভুতুড়ে ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিলের প্রতিকার পেতে এবং এর সঠিক কারণ জানতে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে ভিড় জমাচ্ছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে কোনো কারণ ছাড়াই স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে। যেখানে গত মাসে বিদ্যুৎ বিল ছিল ৫০০ থেকে ১০০০ আর চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৩৫০০ পর্যন্ত সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে এই অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিটার রিডিংয়ের সাথে মিল না রেখে অফিসে বসেই এই ভুতুড়ে বিল তৈরি করা হচ্ছে বলে অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিদ্যুৎ অফিসের চিত্র:
আজ সকাল থেকেই লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের জড়ো হতে দেখা যায়। অনেকেই তাদের হাতে থাকা অতিরিক্ত বিলের কাগজ নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে এর ব্যাখ্যা চান। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। কর্মকর্তারা গ্রাহকদের বিলগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের আশ্বাস দিচ্ছেন।
গ্রাহকদের দাবি, অনতিবিলম্বে এই ভুতুড়ে বিলের হয়রানি বন্ধ করে প্রকৃত রিডিং অনুযায়ী সঠিক বিলের ব্যবস্থা করা হোক, অন্যথায় তারা আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল! গ্রাহকদের তীব্র ক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিসে ভিড়।

আপডেট সময় : ১০:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে রায়পুরের জোনাল অফিসে
অস্বাভাবিক এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ভুতুড়ে ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিলের প্রতিকার পেতে এবং এর সঠিক কারণ জানতে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে ভিড় জমাচ্ছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে কোনো কারণ ছাড়াই স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে। যেখানে গত মাসে বিদ্যুৎ বিল ছিল ৫০০ থেকে ১০০০ আর চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৩৫০০ পর্যন্ত সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে এই অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিটার রিডিংয়ের সাথে মিল না রেখে অফিসে বসেই এই ভুতুড়ে বিল তৈরি করা হচ্ছে বলে অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিদ্যুৎ অফিসের চিত্র:
আজ সকাল থেকেই লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের জড়ো হতে দেখা যায়। অনেকেই তাদের হাতে থাকা অতিরিক্ত বিলের কাগজ নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে এর ব্যাখ্যা চান। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। কর্মকর্তারা গ্রাহকদের বিলগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের আশ্বাস দিচ্ছেন।
গ্রাহকদের দাবি, অনতিবিলম্বে এই ভুতুড়ে বিলের হয়রানি বন্ধ করে প্রকৃত রিডিং অনুযায়ী সঠিক বিলের ব্যবস্থা করা হোক, অন্যথায় তারা আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন