কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল হাড়হিম করা ও শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই শীর্ষ চোরাচালানকারীকে আটক করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
অভিযানের বিবরণ
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ নদীর সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি স্পেশাল টহল দল নাফ নদীর শূন্য রেখায় কঠোর নজরদারি ও কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।
গভীর রাতে জিরো লাইন অতিক্রম করে একটি কাঠের নৌকাকে বাংলাদেশ সীমানার দিকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা সেটিকে চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানকারীরা দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় নাফ নদীর উত্তাল স্রোত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশের তোয়াক্কা না করে বিজিবি টহল দল ধাওয়া করে সাহসিকতার সাথে দুই চোরাচালানকারীকে ধরে ফেলে।
উদ্ধার ও আটক
পরবর্তীতে কাঠের নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১,১০,০০০ (এক লাখ দশ হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান:
“মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো প্রকার মাদক যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য নাফ নদীসহ সমগ্র সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জব্দকৃত মালামালসহ টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিজিবির এই সময়োচিত ও সাহসী অভিযানে সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে প্রসংশা কুড়াচ্ছে।
টেকনাফে প্রতিনিধি মিসবাহ উল্লাহ প্রতিবেদনে বিস্তারিত দেখুন
২৪ জুলাই, ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল হাড়হিম করা ও শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই শীর্ষ চোরাচালানকারীকে আটক করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
অভিযানের বিবরণ
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ নদীর সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি স্পেশাল টহল দল নাফ নদীর শূন্য রেখায় কঠোর নজরদারি ও কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।
গভীর রাতে জিরো লাইন অতিক্রম করে একটি কাঠের নৌকাকে বাংলাদেশ সীমানার দিকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা সেটিকে চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানকারীরা দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় নাফ নদীর উত্তাল স্রোত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশের তোয়াক্কা না করে বিজিবি টহল দল ধাওয়া করে সাহসিকতার সাথে দুই চোরাচালানকারীকে ধরে ফেলে।
উদ্ধার ও আটক
পরবর্তীতে কাঠের নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১,১০,০০০ (এক লাখ দশ হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান:
“মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো প্রকার মাদক যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য নাফ নদীসহ সমগ্র সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জব্দকৃত মালামালসহ টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিজিবির এই সময়োচিত ও সাহসী অভিযানে সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে প্রসংশা কুড়াচ্ছে।
টেকনাফে প্রতিনিধি মিসবাহ উল্লাহ প্রতিবেদনে বিস্তারিত দেখুন 



















