ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​টেকনাফকে অপহরণমুক্ত করার দাবিতে ঢাবিতে অনশন, দ্রুত সাঁড়াশি অভিযানের দাবি

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রমাগত অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও পাহাড়কেন্দ্রিক অপরাধীদের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় এবার রাজধানীতে সোচ্চার হয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। টেকনাফকে অপহরণ ও সহিংসতামুক্ত সীমান্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এক বিশেষ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সচেতন শিক্ষার্থী ও টেকনাফের স্থানীয় প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে ঢাকা ও টেকনাফে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
​কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা জানান, টেকনাফে অপহরণের ঘটনা এখন নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ নাগরিক, মেহনতি কৃষক কিংবা যানবাহন চালক—কাউকেই ছাড় দিচ্ছে না সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। পাহাড়ি এলাকাকে নিরাপদ আস্তানা বানিয়ে সাধারণ মানুষকে বন্দি করে কোটি কোটি টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে। এতে করে পুরো টেকনাফে এক গভীর আতঙ্ক ও জনমনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।
​অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, “টেকনাফের এই মানবিক ও নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি আর কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে।”
​পরিশেষে, টেকনাফে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের প্রতি ৩টি বিশেষ ও জরুরি আহ্বান জানানো হয়:
​বিশেষ তদন্ত: টেকনাফে সক্রিয় সংঘবদ্ধ পাহাড়ি ও স্থানীয় অপহরণ চক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের বিশেষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা।
​যৌথ সাঁড়াশি অভিযান: অপরাধীদের পাহাড়ি আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে এবং অপহৃতদের অক্ষত উদ্ধারে সীমান্ত এলাকায় যৌথ বাহিনীর জোরালো সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা।
​টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা: কেবল সাময়িক অভিযান নয়, টেকনাফের সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকার দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
​অনশনকারীরা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দেশের সীমান্ত এলাকা ও সাধারণ মানুষের জীবন সুরক্ষায় যদি অবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর ও রাজপথের মহাসমাবেশ ভিত্তিক আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

​টেকনাফকে অপহরণমুক্ত করার দাবিতে ঢাবিতে অনশন, দ্রুত সাঁড়াশি অভিযানের দাবি

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রমাগত অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও পাহাড়কেন্দ্রিক অপরাধীদের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় এবার রাজধানীতে সোচ্চার হয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। টেকনাফকে অপহরণ ও সহিংসতামুক্ত সীমান্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এক বিশেষ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সচেতন শিক্ষার্থী ও টেকনাফের স্থানীয় প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে ঢাকা ও টেকনাফে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
​কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা জানান, টেকনাফে অপহরণের ঘটনা এখন নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ নাগরিক, মেহনতি কৃষক কিংবা যানবাহন চালক—কাউকেই ছাড় দিচ্ছে না সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। পাহাড়ি এলাকাকে নিরাপদ আস্তানা বানিয়ে সাধারণ মানুষকে বন্দি করে কোটি কোটি টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে। এতে করে পুরো টেকনাফে এক গভীর আতঙ্ক ও জনমনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।
​অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, “টেকনাফের এই মানবিক ও নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি আর কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে।”
​পরিশেষে, টেকনাফে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের প্রতি ৩টি বিশেষ ও জরুরি আহ্বান জানানো হয়:
​বিশেষ তদন্ত: টেকনাফে সক্রিয় সংঘবদ্ধ পাহাড়ি ও স্থানীয় অপহরণ চক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের বিশেষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা।
​যৌথ সাঁড়াশি অভিযান: অপরাধীদের পাহাড়ি আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে এবং অপহৃতদের অক্ষত উদ্ধারে সীমান্ত এলাকায় যৌথ বাহিনীর জোরালো সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা।
​টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা: কেবল সাময়িক অভিযান নয়, টেকনাফের সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকার দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
​অনশনকারীরা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দেশের সীমান্ত এলাকা ও সাধারণ মানুষের জীবন সুরক্ষায় যদি অবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর ও রাজপথের মহাসমাবেশ ভিত্তিক আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।