ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরা সদরের মাগুরা-কৈখালী বিলে মৎস্য ঘের থেকে সুমন (৩৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

নিহত সুমন কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় গাড়ী চালক। ২০ জুলাই সোমবার সকালে মাগুরা-কৈখালী বিলে কেসমত আলীর মৎস্য ঘের থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা দায়পাড়া গ্রামের কেসমত আলী সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মৎস্য ঘেরের টোঙের লাইট বন্ধ করতে গিয়ে মৎস্য ঘেরের মধ্যে এক যুবকের বিবস্ত্র অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। কেসমত আলী মরদেহ দেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামবাসীদের খবর দেয়। গ্রামবাসীরা এসে দেখতে পান মরদেহটি কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে সুমন।
এসময় ওই ঘের থেকে লোহা কাটা দুইটি ব্লেড, একটি বাটন মোবাইল, সিগারেটের প্যাকেট এবং পল্লী বিদ্যুতের ৩৩হাজার ভোল্টের কাটা তার উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, নিহত সুমনের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ধ্রুমজাল তৈরী হয়েছে। কে বা কারা তাকে মেরে কেসমত আলীর মৎস্য ঘেরে মরদেহ ফেলে রেখেগেছে।
স্থানীয়রা ধারনা করছে সংঘ্যবদ্ধ দুর্বৃত্তরা পল্লী বিদ্যুতের তার চুরি করার সময় সুমন তাদের দেখতে পেলে তারা সুমনকে মেরে ফেলে রেখে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সাতক্ষীরা সদরের মাগুরা-কৈখালী বিলে মৎস্য ঘের থেকে সুমন (৩৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:১৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নিহত সুমন কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় গাড়ী চালক। ২০ জুলাই সোমবার সকালে মাগুরা-কৈখালী বিলে কেসমত আলীর মৎস্য ঘের থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা দায়পাড়া গ্রামের কেসমত আলী সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মৎস্য ঘেরের টোঙের লাইট বন্ধ করতে গিয়ে মৎস্য ঘেরের মধ্যে এক যুবকের বিবস্ত্র অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। কেসমত আলী মরদেহ দেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামবাসীদের খবর দেয়। গ্রামবাসীরা এসে দেখতে পান মরদেহটি কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে সুমন।
এসময় ওই ঘের থেকে লোহা কাটা দুইটি ব্লেড, একটি বাটন মোবাইল, সিগারেটের প্যাকেট এবং পল্লী বিদ্যুতের ৩৩হাজার ভোল্টের কাটা তার উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, নিহত সুমনের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ধ্রুমজাল তৈরী হয়েছে। কে বা কারা তাকে মেরে কেসমত আলীর মৎস্য ঘেরে মরদেহ ফেলে রেখেগেছে।
স্থানীয়রা ধারনা করছে সংঘ্যবদ্ধ দুর্বৃত্তরা পল্লী বিদ্যুতের তার চুরি করার সময় সুমন তাদের দেখতে পেলে তারা সুমনকে মেরে ফেলে রেখে গেছে।