ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আজ পাগল, আবর্জনা কুড়িয়ে জীবন কাটে

 

স্বাধীনতার জন্য যিনি জীবন বাজি রেখেছিলেন, তার রক্তের উত্তরাধিকার আজ রাস্তায় রাস্তায়।
বলছি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক বিডিআর সুবেদার আনোয়ার হোসেন-এর একমাত্র ছেলে মামুন এর কথা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একসময়ের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান মামুন আজ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পাগল হয়ে গেছেন। নিয়তির নির্মম পরিহাসে তিনি এখন আবর্জনা থেকে খাবার কুড়িয়ে জীবন নির্বাহ করছেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, চিকিৎসা নেই, দেখার কেউ নেই।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের এই করুণ পরিণতি দেখে কি আমাদের বিবেক একটুও নাড়া দেয় না?
যে বাবা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন, তার ছেলে আজ রাষ্ট্র ও সমাজের অবহেলায় পথে পথে ঘুরছে – এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে?

এলাকাবাসীর আকুতি, আসুন আমরা সকলে মিলে মামুন ভাইয়ের জন্য কিছু একটা করি। তার চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ন্যূনতম মানবিক জীবন নিশ্চিত করতে সমাজের বিত্তবান, প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তারা।

একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যেন এভাবে অবহেলায় না মরে, সেজন্য দ্রুত সরকারি ও সামাজিক উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আজ পাগল, আবর্জনা কুড়িয়ে জীবন কাটে

আপডেট সময় : ০১:২২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

 

স্বাধীনতার জন্য যিনি জীবন বাজি রেখেছিলেন, তার রক্তের উত্তরাধিকার আজ রাস্তায় রাস্তায়।
বলছি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক বিডিআর সুবেদার আনোয়ার হোসেন-এর একমাত্র ছেলে মামুন এর কথা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একসময়ের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান মামুন আজ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পাগল হয়ে গেছেন। নিয়তির নির্মম পরিহাসে তিনি এখন আবর্জনা থেকে খাবার কুড়িয়ে জীবন নির্বাহ করছেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, চিকিৎসা নেই, দেখার কেউ নেই।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের এই করুণ পরিণতি দেখে কি আমাদের বিবেক একটুও নাড়া দেয় না?
যে বাবা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন, তার ছেলে আজ রাষ্ট্র ও সমাজের অবহেলায় পথে পথে ঘুরছে – এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে?

এলাকাবাসীর আকুতি, আসুন আমরা সকলে মিলে মামুন ভাইয়ের জন্য কিছু একটা করি। তার চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ন্যূনতম মানবিক জীবন নিশ্চিত করতে সমাজের বিত্তবান, প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তারা।

একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যেন এভাবে অবহেলায় না মরে, সেজন্য দ্রুত সরকারি ও সামাজিক উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।