অন্ধকার অলিগলি থেকে বেরিয়ে আলোর পথে হাটার নামে জীবন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের মোঃ ইয়াকুব আলীর জীবনের গল্পটা ঠিক তেমনি। এক সময় ইয়াকুব ছিল বেকারত্বের হতাশায় নিমজ্জিত একজন সাধারণ যুবক। ভবিষ্যৎ কি হবে এবং দু’মুঠো অন্ন সংস্থান হবে এসব চিন্তায় তার দিন কাটতো অনিশ্চয়তায়। ঠিক সেই সময় তার পাশে এসে দাঁড়াই পথ প্রদর্শক সরকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কাজী সুবীর হাসান।
এরপর চলে তার জীবন সংগ্রাম ভর্তি হলো যুব উন্নয়ন দপ্তরে গবাদি পশুপাল ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিভাগে। ট্রেনিং শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে এক লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে শুরু করে তারপর পল্লী চিকিৎসার কাজ। প্রথমে তার কাজ সহজ ছিল না।
মানুষের অবহেলা ও প্রতিকূলতা সহ্য করে এগোতে হয়েছে। তবুও থেমে থাকেনি ইয়াকুব আলী। খুব দ্রুত এলাকার মানুষের আস্থা অর্জন করে নিল ইয়াকুব। এখন ওই এলাকার মানুষের কোন গবাদি পশু অসুস্থ হলে প্রথমেই মনে পড়ে ইয়াকুবের কথা।
কাজী সুবীর হাসান দৈনিক বাংলার সংবাদ এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধিকে বলেন একজন সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কাজ শুধু অফিস ফাইল ও ঋণের হিসাব রাখা নয়। বরং একজন মানুষের জীবনের নতুন গল্পের কারিগর হওয়া। ইয়াকুব আলীর এই সাফল্য শুধু একটি গল্প নয় এটি একটি রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে একজন যুবকের রূপান্তরের গল্প। ইয়াকুব শুধু একজন সফল পশু চিকিৎসাক নয়। সে এলাকার আরো বেকার দশজন যুবকের এক জ্বলন্ত অনুপ্রেরণা।
ইয়াকুব এর জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। সে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে ট্রেনিং নিয়ে গ্রামের মানুষের সেবা করে যাচ্ছে এবং অনেকের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :: 



















