গাজীপুর জেলা
‘ইস্ট বেকার’ —নামের এই স্লাইস ব্রেডটা বের হওয়ার পর থেকে এটা ছোটো-বড় সব বয়সী মানুষের কাছেই প্রিয়। জনপ্রিয়তাও ব্যাপক। আমরা এমন এক জাতি, যাদের স্বাস্থ্য বিবেচনার প্রয়োজন পড়েনা, খেতে পারলেই হলো। কিভাবে এই পাউরুটির মেয়াদ ১ মাস হয়, সেটা নিয়ে অনেকবার প্রশ্ন উঠেছিলো। বরাবরই আলোচনা হয়, তারপর সবকিছু নেতিয়ে যায়!
গবেষণা বলছে, আমাদের দেশের পাউরুটিতে নরম করার জন্য ব্যবহার করা হয় পটাশিয়াম ব্রোমেট। যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষ/তিকর। শুধু কি তাই! এমনকি ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য রোগের জীবাণুও পাওয়া গেছে এতে। এছাড়াও পাউরুটি তৈরিতে প্রচুর লবণ ও চিনি বা সিরাপ ব্যবহার করা হয়, যা রক্তচাপ ও মেদ বাড়ায়।
এবার ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড-এ এসিডে অদ্রবণীয় ছাই দশমিক ২৭ শতাংশ পাওয়া যায়। যা পণ্যটির গ্রেড অনুযায়ী থাকার কথা ছিল দশমিক ১ শতাংশ। একইসঙ্গে ক্রডফাইবারের নির্ধারিত মান, ক্যালসিয়াম প্রোপিওনেটের মান যথাযথ নয়। এটা বিদেশি কোম্পানি ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের একটা পণ্য। এই পণ্যটি স্বাস্থ্য বিবেচনায় ঝুঁ/কির কারণে বাজার থেকে প্রত্যাহার ও কেনাবেচা নি/ষি/দ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২ এর বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মাহমুদুল হকের আদালত।
শুধু ইস্ট বেকার নয়, পাউরুটি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সচেতনতা জরুরি!
মোঃশাকিল স্টাফ' রিপোর্টার দৈনিক বাংলার সংবাদ পত্রিকা 



















