একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেছেন, “এই দুই ঐতিহাসিক অধ্যায়কে একে অপর থেকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই।”
বুধবার (১৬ জুলাই) ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে দেশের মানুষের আন্দোলন, আত্মত্যাগ ও গণঅংশগ্রহণের চেতনাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের রাষ্ট্র সংস্কার উদ্যোগের প্রতিও তিনি সমর্থন ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উভয়ই দেশের মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এসব ঐতিহাসিক ঘটনার চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: এম.এ.এইচ রাকিবুল ইসলাম 



















