ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে আলো ছড়াল আলিপুরের ইশিকা, স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার

 

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার এস. বাঁকড়া ডাকঘরের আলিপুর গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী ইশিকা পারভীন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকাবাসীর জন্য গর্বের উপলক্ষ সৃষ্টি করেছে।

ইশিকা পারভীন বাঁকড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার পিতা আমির হোসেন এবং মাতা শাহনাজ পারভীন ঝর্ণা। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী ইশিকা নিয়মিত অধ্যবসায় ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় এই সাফল্য অর্জন করেছে।

তার এই অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, ইশিকার সাফল্য এলাকার অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রাণিত করবে।

নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইশিকা পারভীন বলে, “আমি বড় হয়ে একজন ডাক্তার হতে চাই। মানুষের সেবা করতে চাই, পিতা-মাতার মুখ উজ্জ্বল করতে চাই এবং আমার বিদ্যালয় ও এলাকার সুনাম আরও বৃদ্ধি করতে চাই।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইশিকার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে জানিয়েছেন, ধারাবাহিক পরিশ্রম অব্যাহত থাকলে সে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে আলো ছড়াল আলিপুরের ইশিকা, স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার

আপডেট সময় : ০২:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

 

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার এস. বাঁকড়া ডাকঘরের আলিপুর গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী ইশিকা পারভীন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকাবাসীর জন্য গর্বের উপলক্ষ সৃষ্টি করেছে।

ইশিকা পারভীন বাঁকড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার পিতা আমির হোসেন এবং মাতা শাহনাজ পারভীন ঝর্ণা। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী ইশিকা নিয়মিত অধ্যবসায় ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় এই সাফল্য অর্জন করেছে।

তার এই অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, ইশিকার সাফল্য এলাকার অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রাণিত করবে।

নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইশিকা পারভীন বলে, “আমি বড় হয়ে একজন ডাক্তার হতে চাই। মানুষের সেবা করতে চাই, পিতা-মাতার মুখ উজ্জ্বল করতে চাই এবং আমার বিদ্যালয় ও এলাকার সুনাম আরও বৃদ্ধি করতে চাই।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইশিকার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে জানিয়েছেন, ধারাবাহিক পরিশ্রম অব্যাহত থাকলে সে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।