ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক যুগের ভালোবাসা স্প্যানিশ ফুটবলের সাথে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক ধনু

বাঙালি ফুটবলপ্রেমীদের সিংহভাগই যখন ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনার চিরচেনা উন্মাদনায় বিভক্ত, তখন লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের ক্রীড়াঙ্গনে চেনা গণ্ডি পেরিয়ে এক ব্যতিক্রমী ফুটবলপ্রেমের নজির গড়েছেন মোখলেছুর রহমান ধনু। লাতিন ফুটবলের জোয়ার ছেড়ে ইউরোপীয় পরাশক্তি স্প্যানিশ ফুটবলের নান্দনিক শৈলীতে মগ্ন তিনি। দীর্ঘ এক যুগ ধরে স্পেনের প্রতি তাঁর এই নিখাদ ভালোবাসা স্থানীয় ফুটবল মহলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গন ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একসময় বিশ্ব ফুটবলের সফলতম দল ব্রাজিলের কড়া সমর্থক ছিলেন ধনু। দীর্ঘদিন ‘সেলেসাও’দের হলুদ জার্সির পেছনে আবেগ ঢাললেও, এক যুগেরও বেশি সময় আগে ফুটবলের দৃষ্টিনন্দন কৌশল এবং পাসিং গেমের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে তিনি স্পেনের সমর্থক বনে যান। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বিগত তিনটি বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে বুকভরা আশা আর উদ্দীপনা নিয়ে স্পেনের লাল-হলুদ জার্সি গায়ে জড়িয়েই দলকে অকুণ্ঠ সমর্থন জুগিয়ে গেছেন তিনি।
নিজে স্থানীয় স্তরের ছোটখাটো ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ায় ফুটবলের কৌশল ও নান্দনিকতাকে একটু ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেন মোখলেছুর রহমান ধনু। স্প্যানিশ ফুটবলের প্রতি নিজের এই গভীর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি নিজে ফুটবল খেলি, তাই মাঠের কৌশলটা একটু অন্যভাবে বোঝার চেষ্টা করি। একটা সময় দীর্ঘ ফুটবলীয় আবেগ থেকে ব্রাজিল সমর্থন করতাম ঠিকই, কিন্তু গত এক যুগ ধরে স্প্যানিশ ফুটবলের প্রেমে পড়ে আছি। গত তিনটি বিশ্বকাপে আমি মনে-প্রাণে স্পেনকে সমর্থন করেছি এবং ভবিষ্যতেও এই ভালোবাসা অটুট থাকবে।

ফুটবল নিয়ে বাঙালির চিরন্তন আবেগের বাইরে গিয়ে স্পেনের মতো দলের প্রতি এমন দীর্ঘমেয়াদি ও একনিষ্ঠ সমর্থন স্থানীয় তরুণ ফুটবলার ও ক্রীড়ামোদীদের মাঝেও বেশ সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বলছেন, ধনুর এই ফুটবলপ্রেম প্রমাণ করে যে, খেলার সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট সীমানা বা জনপ্রিয়তার গণ্ডিতে আটকে থাকে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

এক যুগের ভালোবাসা স্প্যানিশ ফুটবলের সাথে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক ধনু

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বাঙালি ফুটবলপ্রেমীদের সিংহভাগই যখন ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনার চিরচেনা উন্মাদনায় বিভক্ত, তখন লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের ক্রীড়াঙ্গনে চেনা গণ্ডি পেরিয়ে এক ব্যতিক্রমী ফুটবলপ্রেমের নজির গড়েছেন মোখলেছুর রহমান ধনু। লাতিন ফুটবলের জোয়ার ছেড়ে ইউরোপীয় পরাশক্তি স্প্যানিশ ফুটবলের নান্দনিক শৈলীতে মগ্ন তিনি। দীর্ঘ এক যুগ ধরে স্পেনের প্রতি তাঁর এই নিখাদ ভালোবাসা স্থানীয় ফুটবল মহলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গন ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একসময় বিশ্ব ফুটবলের সফলতম দল ব্রাজিলের কড়া সমর্থক ছিলেন ধনু। দীর্ঘদিন ‘সেলেসাও’দের হলুদ জার্সির পেছনে আবেগ ঢাললেও, এক যুগেরও বেশি সময় আগে ফুটবলের দৃষ্টিনন্দন কৌশল এবং পাসিং গেমের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে তিনি স্পেনের সমর্থক বনে যান। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বিগত তিনটি বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে বুকভরা আশা আর উদ্দীপনা নিয়ে স্পেনের লাল-হলুদ জার্সি গায়ে জড়িয়েই দলকে অকুণ্ঠ সমর্থন জুগিয়ে গেছেন তিনি।
নিজে স্থানীয় স্তরের ছোটখাটো ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ায় ফুটবলের কৌশল ও নান্দনিকতাকে একটু ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেন মোখলেছুর রহমান ধনু। স্প্যানিশ ফুটবলের প্রতি নিজের এই গভীর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি নিজে ফুটবল খেলি, তাই মাঠের কৌশলটা একটু অন্যভাবে বোঝার চেষ্টা করি। একটা সময় দীর্ঘ ফুটবলীয় আবেগ থেকে ব্রাজিল সমর্থন করতাম ঠিকই, কিন্তু গত এক যুগ ধরে স্প্যানিশ ফুটবলের প্রেমে পড়ে আছি। গত তিনটি বিশ্বকাপে আমি মনে-প্রাণে স্পেনকে সমর্থন করেছি এবং ভবিষ্যতেও এই ভালোবাসা অটুট থাকবে।

ফুটবল নিয়ে বাঙালির চিরন্তন আবেগের বাইরে গিয়ে স্পেনের মতো দলের প্রতি এমন দীর্ঘমেয়াদি ও একনিষ্ঠ সমর্থন স্থানীয় তরুণ ফুটবলার ও ক্রীড়ামোদীদের মাঝেও বেশ সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বলছেন, ধনুর এই ফুটবলপ্রেম প্রমাণ করে যে, খেলার সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট সীমানা বা জনপ্রিয়তার গণ্ডিতে আটকে থাকে না।