ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে হরিহর নদীর ভাঙন পরিদর্শনে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস

কেশবপুর শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হরিহর নদীর খননকাজ ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে নদীর দুই তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের দুটি পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া আরও দুটি পরিবারের বসতবাড়ি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) বৃষ্টির মধ্যেই ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন।এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মেশকাতুল ইসলাম এবং কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
স্থানীয়দের দাবি, হরিহর নদীর খননকাজ এবং চলমান ভারী বর্ষণের কারণে নদীর পাড়ে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আরও বসতবাড়ি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

যশোরে হরিহর নদীর ভাঙন পরিদর্শনে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস

আপডেট সময় : ০১:২৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

কেশবপুর শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হরিহর নদীর খননকাজ ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে নদীর দুই তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের দুটি পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া আরও দুটি পরিবারের বসতবাড়ি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) বৃষ্টির মধ্যেই ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন।এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মেশকাতুল ইসলাম এবং কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
স্থানীয়দের দাবি, হরিহর নদীর খননকাজ এবং চলমান ভারী বর্ষণের কারণে নদীর পাড়ে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আরও বসতবাড়ি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।