ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা প্রশাসক ও এসপি; ত্রাণ বিতরণ

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি। পরিদর্শনকালে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং বর্নার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

শনিবার (১১ জুলাই) দিনব্যাপী এই পরিদর্শন কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম, বিপিএম।

মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মতবিনিময়
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তাঁরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং সরাসরি বন্যাদুর্গত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন। এ সময় চলমান উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং বন্যার্তদের বর্তমান দুর্ভোগের চিত্র বিশদভাবে শুনেন ও পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালীন সময়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম বন্যাকবলিত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি জরুরি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সঠিক সমন্বয় সাধন, আশ্রয়কেন্দ্রসমূহের কার্যকর ব্যবস্থাপনা, উপদ্রুত এলাকার মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বন্যার্তদের আশ্বস্ত করে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন,

“বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘবে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা অব্যাহত থাকবে। কোনো মানুষ যেন না খেয়ে বা বিনা চিকিৎসায় কষ্ট না পায়, সে জন্য ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের কাছে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, জরুরি চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

পরিদর্শন শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং চলমান সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করা, পর্যাপ্ত খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ ধরে রাখা এবং ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে কার্যকর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ সময় বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা প্রশাসক ও এসপি; ত্রাণ বিতরণ

আপডেট সময় : ০৬:১১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি। পরিদর্শনকালে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং বর্নার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

শনিবার (১১ জুলাই) দিনব্যাপী এই পরিদর্শন কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম, বিপিএম।

মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মতবিনিময়
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তাঁরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং সরাসরি বন্যাদুর্গত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন। এ সময় চলমান উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং বন্যার্তদের বর্তমান দুর্ভোগের চিত্র বিশদভাবে শুনেন ও পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালীন সময়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম বন্যাকবলিত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি জরুরি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সঠিক সমন্বয় সাধন, আশ্রয়কেন্দ্রসমূহের কার্যকর ব্যবস্থাপনা, উপদ্রুত এলাকার মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বন্যার্তদের আশ্বস্ত করে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন,

“বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘবে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা অব্যাহত থাকবে। কোনো মানুষ যেন না খেয়ে বা বিনা চিকিৎসায় কষ্ট না পায়, সে জন্য ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের কাছে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, জরুরি চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

পরিদর্শন শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং চলমান সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করা, পর্যাপ্ত খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ ধরে রাখা এবং ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে কার্যকর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ সময় বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।