ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার নবজাতকের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগ

 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন-সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার হওয়া এক নবজাতক কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন, মুন্সীগঞ্জ।

গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে নবজাতকটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শিশুটির চিকিৎসার পাশাপাশি তার নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে।

এ লক্ষ্যে গত ৬ জুলাই ২০২৬ জেলা প্রশাসক, মুন্সীগঞ্জের সভাপতিত্বে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গজারিয়া থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় তার বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদান বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে ৯ জুলাই বোর্ডের সদস্যরা তাঁদের মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।

সদস্যদের সুপারিশ, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণ বিবেচনা করে এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির নিকট নবজাতকের বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ একটি অসহায় শিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশুর অধিকার ও কল্যাণ রক্ষায় সরকারের মানবিক ও দায়িত্বশীল অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার নবজাতকের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগ

আপডেট সময় : ১১:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন-সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার হওয়া এক নবজাতক কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন, মুন্সীগঞ্জ।

গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে নবজাতকটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শিশুটির চিকিৎসার পাশাপাশি তার নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে।

এ লক্ষ্যে গত ৬ জুলাই ২০২৬ জেলা প্রশাসক, মুন্সীগঞ্জের সভাপতিত্বে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গজারিয়া থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় তার বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদান বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে ৯ জুলাই বোর্ডের সদস্যরা তাঁদের মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।

সদস্যদের সুপারিশ, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণ বিবেচনা করে এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির নিকট নবজাতকের বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ একটি অসহায় শিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশুর অধিকার ও কল্যাণ রক্ষায় সরকারের মানবিক ও দায়িত্বশীল অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।