ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাফ নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: পানিতে ঝাঁপ দিয়ে চোরাকারবারির পলায়ন

​কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ অভিযান চলাকালে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গেছে। কোস্ট গার্ডের দাবি, ওই ব্যক্তি মাদক বা অবৈধ কোনো মালামাল পাচারের সাথে জড়িত ছিল।
​ঘটনাপ্রবাহ
​কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাফ নদীর জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি নিয়মিত টহল দল অবস্থান নেয়। গভীর রাতে একটি সন্দেহভাজন নৌকাকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশ করতে দেখে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা সেটিকে থামার সংকেত দেয়।
​কোস্ট গার্ডের স্পিডবোট কাছাকাছি পৌঁছানো মাত্রই নৌকায় থাকা একমাত্র ব্যক্তি তল্লাশি ও আটক এড়াতে অন্ধকার নদীর পানিতে ঝাঁপ দেয়। তীব্র স্রোত এবং রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি সাঁতরে মিয়ানমার সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
​”আমাদের টহল দল দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও অন্ধকারের কারণে এবং নদীর তীব্র স্রোতকে কাজে লাগিয়ে ওই ব্যক্তি পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।”
— কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
​উদ্ধারকৃত মালামাল
​পরবর্তীতে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা পরিত্যক্ত নৌকাটি জব্দ করে তল্লাশি চালায়। নৌকাটি থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মালামাল (কিংবা মাদক/ইয়াবা—প্রয়োজন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট তথ্য যোগ করতে পারেন) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে।
​তৎপরতা জোরদার
​নাফ নদী দিয়ে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং এই বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে কোস্ট গার্ড সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নাফ নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: পানিতে ঝাঁপ দিয়ে চোরাকারবারির পলায়ন

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

​কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ অভিযান চলাকালে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গেছে। কোস্ট গার্ডের দাবি, ওই ব্যক্তি মাদক বা অবৈধ কোনো মালামাল পাচারের সাথে জড়িত ছিল।
​ঘটনাপ্রবাহ
​কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাফ নদীর জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি নিয়মিত টহল দল অবস্থান নেয়। গভীর রাতে একটি সন্দেহভাজন নৌকাকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশ করতে দেখে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা সেটিকে থামার সংকেত দেয়।
​কোস্ট গার্ডের স্পিডবোট কাছাকাছি পৌঁছানো মাত্রই নৌকায় থাকা একমাত্র ব্যক্তি তল্লাশি ও আটক এড়াতে অন্ধকার নদীর পানিতে ঝাঁপ দেয়। তীব্র স্রোত এবং রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি সাঁতরে মিয়ানমার সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
​”আমাদের টহল দল দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও অন্ধকারের কারণে এবং নদীর তীব্র স্রোতকে কাজে লাগিয়ে ওই ব্যক্তি পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।”
— কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
​উদ্ধারকৃত মালামাল
​পরবর্তীতে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা পরিত্যক্ত নৌকাটি জব্দ করে তল্লাশি চালায়। নৌকাটি থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মালামাল (কিংবা মাদক/ইয়াবা—প্রয়োজন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট তথ্য যোগ করতে পারেন) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে।
​তৎপরতা জোরদার
​নাফ নদী দিয়ে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং এই বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে কোস্ট গার্ড সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।