ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে দফায় দফায় অপহরণ ও ধর্ষণ, প্রভাবশালীদের ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ও চেতনানাশক খাইয়ে দফায় দফায় অপহরণ ও ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে নিজ এলাকায় এবং পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকার গাজীপুরে নিয়ে তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষণের প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে এবং মামলাটি নষ্ট করতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ও আসামির গ্রাম পুলিশ ভাই জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে পুলিশ ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাসহ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

মামলার এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়িটারী গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে মোখলেছার রহমান ফুলতলা (৪০) ওই স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে বাড়ির পাশের একটি লিচুবাগানে নিয়ে যান। সেখানে মুখ চেপে ধরে তাকে প্রথম দফায় ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিবারসহ মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েটিকে বাগানেই ফেলে রেখে যান মোখলেছার। কিশোরীটি কোনো রকমে বাড়ি ফিরে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখে।

পরবর্তীতে গত ১ জুলাই নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী সুমি বেগম ও নছিমন বেগমের সহায়তায় ওই স্কুলছাত্রীকে আবারও ডেকে নেন মোখলেছার রহমান। এরপর তাকে রংপুরে নিয়ে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং সেখান থেকে অচেতন অবস্থায় ঢাকার গাজীপুরে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মোখলেছার তাকে আবারও ধর্ষণ করলে কিশোরীটি চিৎকার করে বাইরের লোকজনের সহায়তা চায়। স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে মো�

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে দফায় দফায় অপহরণ ও ধর্ষণ, প্রভাবশালীদের ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ও চেতনানাশক খাইয়ে দফায় দফায় অপহরণ ও ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে নিজ এলাকায় এবং পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকার গাজীপুরে নিয়ে তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষণের প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে এবং মামলাটি নষ্ট করতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ও আসামির গ্রাম পুলিশ ভাই জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে পুলিশ ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাসহ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

মামলার এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়িটারী গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে মোখলেছার রহমান ফুলতলা (৪০) ওই স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে বাড়ির পাশের একটি লিচুবাগানে নিয়ে যান। সেখানে মুখ চেপে ধরে তাকে প্রথম দফায় ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিবারসহ মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েটিকে বাগানেই ফেলে রেখে যান মোখলেছার। কিশোরীটি কোনো রকমে বাড়ি ফিরে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখে।

পরবর্তীতে গত ১ জুলাই নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী সুমি বেগম ও নছিমন বেগমের সহায়তায় ওই স্কুলছাত্রীকে আবারও ডেকে নেন মোখলেছার রহমান। এরপর তাকে রংপুরে নিয়ে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং সেখান থেকে অচেতন অবস্থায় ঢাকার গাজীপুরে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মোখলেছার তাকে আবারও ধর্ষণ করলে কিশোরীটি চিৎকার করে বাইরের লোকজনের সহায়তা চায়। স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে মো�