কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক সড়কের হোয়াইক্যং কানজর পাড়া এলাকায় একটি চলন্ত গাড়ির ওপর বিশালাকার গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন চালক ও ভেতরে থাকা যাত্রীরা।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ [দিনের নাম দিন, যেমন: বৃহস্পতিবার] সকালে/বিকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজর পাড়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। টেকনাফমুখী একটি [গাড়ির ধরন, যেমন: মাইক্রোবাস/কাভার্ড ভ্যান/ইজিবাইক] চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ সড়কের পাশের একটি বিশাল গাছ উপড়ে গাড়িটির ওপর আছড়ে পড়ে।
গাছটি সরাসরি গাড়ির সামনের ও ওপরের অংশে পড়ায় মুহূর্তের মধ্যে দুমড়ে-মুচড়ে যায় গাড়িটি। দুর্ঘটনার পর পর-ই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
উদ্ধার অভিযান ও যান চলাচল স্বাভাবিকীকরণ
ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এবং হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য:
“হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি চলন্ত গাড়ির ওপর পড়ে। আমরা ভেবেছিলাম ভেতরে থাকা কেউ হয়তো বেঁচে নেই। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। তবে কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন।”
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় করাত দিয়ে গাছটি কেটে সড়ক থেকে সরিয়ে নেন। প্রায় [সময় উল্লেখ করুন, যেমন: এক ঘণ্টা] চেষ্টা চালানোর পর সড়কের ওপর থেকে গাছ ও দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি সরিয়ে নেওয়া হলে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গাড়িটি উদ্ধার করে সড়ক সচল করা হয়েছে। সড়কের পাশে থাকা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোর বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।”
টেকনাফে প্রতিনিধি মিসবাহ উল্লাহ প্রতিবেদনে বিস্তারিত দেখুন 



















