রংপুরে জীবিকার তাগিদে এক যুবকের প্রবাসে থাকার সুযোগে তাঁর স্ত্রীকে জোরপূর্বক শারীরিক নি/গ্রহ (ধ/র্ষ/ণ) ও ব্ল্যা/কমে/ইল করার এক লোমহর্ষক ও জঘন্য অপরাধের ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী মেজবাহুল হক বিদেশে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর আপন দুলাভাই মোজাম্মেল হক ওই গৃহবধূকে একা পেয়ে বিভিন্ন সময়ে অত্যন্ত আ/পত্তিকর ও কু/প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গৃহবধূ তাঁর এমন অ/নৈতিক প্রস্তাবে বারবার অস্বীকৃতি ও তীব্র প্রতিবাদ জানান। তবে একদিন সুযোগ বুঝে মোজাম্মেল হক ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন এবং তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পাশবিক নি/র্যা/তন চালান।
অপরাধটি কেবল এককালীন নির্যাতনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক পাশবিক নি/র্যা/তনের সময় গোপনে মুঠোফোনে (মোবাইলে) ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন। পরবর্তীতে সেই সংবেদনশীল ভিডিও ইন্টারনেটে ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং প্রা/ণনা/শের হুমকি দিয়ে ওই গৃহবধূকে প্রতিনিয়ত ব্ল্যা/কমে/ইল (ভীতি প্রদর্শন) করতে থাকেন। এই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ওই নারীর ওপর ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নি/র্যা/তন চালিয়ে যান। এর একপর্যায়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ অ/ন্তঃস/ত্ত্বা হয়ে পড়েন।
শারীরিক পরিবর্তনের পর কোনো উপায় না পেয়ে এবং চরম মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে, ভুক্তভোগী নারী একপর্যায়ে তাঁর শাশুড়িকে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত বিশদভাবে খুলে বলেন। ঘটনাটি জানার পরপরই প্রবাস থেকে তড়িঘড়ি করে দেশে ফিরে আসেন স্বামী মেজবাহুল হক। তিনি নিজের স্ত্রীর ওপর হওয়া এই চরম অন্যায় ও নি/র্যা/তনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত দুলাভাই মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় থানা পুলিশের দ্বারস্থ হন। এই নির্মম ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং সবাই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন যাতে করে এরকম বর্বর অমানবিক কাজ কেউ করার দুঃসাহস না করে।অপরাধ বিশ্লেষকগনের মতে ,
একজন প্রবাসীর অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর ওপর এমন জোরপূর্বক পাশবিক নি/র্যা/তন চালানো এবং ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ব্ল্যা/কমে/ইল করা আইনের চোখে একটি ক্ষমার অযোগ্য ও জঘন্যতম ফৌজদারি অপরাধ। ভুক্তভোগী নারী লোকলজ্জার ভয় না করে যেভাবে পরিবারকে জানিয়েছেন এবং তাঁর স্বামী যেভাবে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত সঠিক সিদ্ধান্ত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উচিত অবিলম্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা, ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ধারণকৃত ভিডিওটি উদ্ধার করে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো এবং ডিএনএ (DNA) পরীক্ষার মাধ্যমে অপরাধের অকাট্য প্রমাণ নিশ্চিত করে আদালতে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
রংপুরে প্রবাসী সালার স্ত্রী দুলাভাইকর্তৃক ধর্ষনে অন্তঃসত্ত্বা।
-
মোঃ জুয়েল মিয়া স্টাফ রিপোর্টার "সত্যের পথে নির্ভীক" দৈনিক বাংলার সংবাদ। " - আপডেট সময় : ০৯:৩১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
- 43
জনপ্রিয় সংবাদ




















