ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাতকে আকিজ প্লাস্টিক কারখানায় নর্দমা পরিষ্কারের সময় শ্রমিকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার আকিজ প্লাস্টিক কারখানায় নর্দমা পরিষ্কারের কাজ করতে গিয়ে সিরাজ মিয়া (৪৫) নামে এক স্থায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সিরাজ মিয়া উপজেলার গদার মহল গ্রামের সাজ্জাদুর রহমানের ছেলে।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সিরাজ মিয়া একাই নর্দমা ও ট্যাংক পরিষ্কারের কাজ বিশ্লেষণেও তাকে ট্যাংকের পাশে কাজ করতে দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান।

পরে কারখানার চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ঘটনার পর কারখানা কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারের হাতে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা প্রদান করে। এছাড়া পরিবারকে মোট ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিরাজ মিয়া কারখানায় ক্লিনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নর্দমা বা ট্যাংক পরিষ্কার করা তার নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যে ছিল না। তবুও তাকে ওই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হয় এবং কর্মরত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে ছাতক সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ছাতকে আকিজ প্লাস্টিক কারখানায় নর্দমা পরিষ্কারের সময় শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার আকিজ প্লাস্টিক কারখানায় নর্দমা পরিষ্কারের কাজ করতে গিয়ে সিরাজ মিয়া (৪৫) নামে এক স্থায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সিরাজ মিয়া উপজেলার গদার মহল গ্রামের সাজ্জাদুর রহমানের ছেলে।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সিরাজ মিয়া একাই নর্দমা ও ট্যাংক পরিষ্কারের কাজ বিশ্লেষণেও তাকে ট্যাংকের পাশে কাজ করতে দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান।

পরে কারখানার চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ঘটনার পর কারখানা কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারের হাতে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা প্রদান করে। এছাড়া পরিবারকে মোট ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিরাজ মিয়া কারখানায় ক্লিনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নর্দমা বা ট্যাংক পরিষ্কার করা তার নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যে ছিল না। তবুও তাকে ওই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হয় এবং কর্মরত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে ছাতক সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।