ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পলাশের ডাঙ্গা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনা- নিহত ১



‎                                   ​নরসিংদী পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা বাজার বকুলতলা কনফিডেন্স সিমেন্ট সংলগ্ন এলাকায় আবারো রক্তে রঞ্জিত হলো সড়কপথ। ২৭ জুন ২০২৬ রোজ শনিবার  প্রাণ-আরএফএল (PRAN-RFL) গ্রুপের বেপরোয়া গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারালেন সায়েম নামের এক তরুণ।

‎                       ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , এই সড়কে প্রতিনিয়তই প্রাণ-আরএফএল এর গাড়ি চালকেরা অত্যন্ত বেপরোয়া ও অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি  চালায়। যার কারণে এই সড়ক পথে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। ​ শামিম মিয়ার ছেলে  সায়েম হোসেন রাত ৯.৩০ টায় নিজের সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন , ঠিক তখনই প্রাণ-আরএফএল এর একটি  দ্রুতগামী গাড়ি তাকে সরাসরি চাপা দেয়। ঘাতক গাড়ির চাকায় সায়েমের মাথা থেঁতলে যায় এবং অত্যন্ত মর্মান্তিক উপায়ে ঘটনাস্থলেই সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
‎​
‎                     এই ঘটনার পর স্থানীয় মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রশাসন ও কোম্পানির উদাসীনতা এবং চালকদের এই বেপরোয়া মনোভাবের কারণেই আজ সায়মকে অকালে চলে যেতে হলো। ​আমরা অবিলম্বে এই রুটে  সকল বেপরোয়া গাড়ির বিরুদ্ধে এবং দায়ী চালকের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি! যাতে আর কোনো বাবার কোল এবং মায়ের বুক খালি না হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পলাশের ডাঙ্গা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনা- নিহত ১

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬



‎                                   ​নরসিংদী পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা বাজার বকুলতলা কনফিডেন্স সিমেন্ট সংলগ্ন এলাকায় আবারো রক্তে রঞ্জিত হলো সড়কপথ। ২৭ জুন ২০২৬ রোজ শনিবার  প্রাণ-আরএফএল (PRAN-RFL) গ্রুপের বেপরোয়া গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারালেন সায়েম নামের এক তরুণ।

‎                       ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , এই সড়কে প্রতিনিয়তই প্রাণ-আরএফএল এর গাড়ি চালকেরা অত্যন্ত বেপরোয়া ও অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি  চালায়। যার কারণে এই সড়ক পথে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। ​ শামিম মিয়ার ছেলে  সায়েম হোসেন রাত ৯.৩০ টায় নিজের সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন , ঠিক তখনই প্রাণ-আরএফএল এর একটি  দ্রুতগামী গাড়ি তাকে সরাসরি চাপা দেয়। ঘাতক গাড়ির চাকায় সায়েমের মাথা থেঁতলে যায় এবং অত্যন্ত মর্মান্তিক উপায়ে ঘটনাস্থলেই সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
‎​
‎                     এই ঘটনার পর স্থানীয় মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রশাসন ও কোম্পানির উদাসীনতা এবং চালকদের এই বেপরোয়া মনোভাবের কারণেই আজ সায়মকে অকালে চলে যেতে হলো। ​আমরা অবিলম্বে এই রুটে  সকল বেপরোয়া গাড়ির বিরুদ্ধে এবং দায়ী চালকের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি! যাতে আর কোনো বাবার কোল এবং মায়ের বুক খালি না হয়।