ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুন্দুপুকুর মাজার মসজিদের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার দাবি অজুখানা ও শৌচাগার নির্মাণের আহ্বান

নীলফামারী জেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কুন্দুপুকুর মাজার মসজিদের ছাদের ঢালাই কাজ সম্পন্ন হলেও এখনও অজুখানা, শৌচাগার এবং শৌচাগারের ছাদ নির্মাণসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিদিন নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লি ও দূর-দূরান্ত থেকে মাজার জিয়ারতে আসা ভক্তদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্দুপুকুর মাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অসংখ্য ভক্ত জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আসেন। তারা মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এছাড়া এলাকার শত শত মুসল্লি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাজ আদায় করে থাকেন। কিন্তু পর্যাপ্ত অজুখানা ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে তারা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
মসজিদের মুসল্লিরা জানান, অজুর জন্য বাধ্য হয়ে পাশের পুকুর থেকে পানি তুলে ব্যবহার করতে হয়। বিশেষ করে বয়স্ক মুসল্লি, শিশু এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। তাই দ্রুত একটি আধুনিক অজুখানা ও শৌচাগার নির্মাণের দাবি জানান তারা।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মোঃ আশরাফ আলী শাহ বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে মসজিদের ছাদের ঢালাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে অজুখানা, শৌচাগার, শৌচাগারের ছাদসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনও বাকি রয়েছে। সীমিত অর্থায়নের কারণে আমাদের পক্ষে এসব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন, মসজিদের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা পরিষদ, পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তিনি দ্রুত সরকারি বরাদ্দ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানান।
এলাকাবাসীর মতে, ধর্মীয় এই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও দানশীলদেরও এগিয়ে আসা উচিত। অজুখানা ও শৌচাগার নির্মাণসহ অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন হলে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজারো ভক্ত স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত-বন্দেগি করতে পারবেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যাতে কুন্দুপুকুর মাজার মসজিদের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ শেষ করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুন্দুপুকুর মাজার মসজিদের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার দাবি অজুখানা ও শৌচাগার নির্মাণের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

নীলফামারী জেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কুন্দুপুকুর মাজার মসজিদের ছাদের ঢালাই কাজ সম্পন্ন হলেও এখনও অজুখানা, শৌচাগার এবং শৌচাগারের ছাদ নির্মাণসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিদিন নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লি ও দূর-দূরান্ত থেকে মাজার জিয়ারতে আসা ভক্তদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্দুপুকুর মাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অসংখ্য ভক্ত জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আসেন। তারা মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এছাড়া এলাকার শত শত মুসল্লি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাজ আদায় করে থাকেন। কিন্তু পর্যাপ্ত অজুখানা ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে তারা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
মসজিদের মুসল্লিরা জানান, অজুর জন্য বাধ্য হয়ে পাশের পুকুর থেকে পানি তুলে ব্যবহার করতে হয়। বিশেষ করে বয়স্ক মুসল্লি, শিশু এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। তাই দ্রুত একটি আধুনিক অজুখানা ও শৌচাগার নির্মাণের দাবি জানান তারা।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মোঃ আশরাফ আলী শাহ বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে মসজিদের ছাদের ঢালাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে অজুখানা, শৌচাগার, শৌচাগারের ছাদসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনও বাকি রয়েছে। সীমিত অর্থায়নের কারণে আমাদের পক্ষে এসব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন, মসজিদের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা পরিষদ, পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তিনি দ্রুত সরকারি বরাদ্দ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানান।
এলাকাবাসীর মতে, ধর্মীয় এই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও দানশীলদেরও এগিয়ে আসা উচিত। অজুখানা ও শৌচাগার নির্মাণসহ অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন হলে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজারো ভক্ত স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত-বন্দেগি করতে পারবেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যাতে কুন্দুপুকুর মাজার মসজিদের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ শেষ করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া যায়।