ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন বছর ধরে বন্ধ অপারেশন সেবা, ভোগান্তিতে রোগীরা

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা) হাসপাতালে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে সিজারিয়ানসহ সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এতে করে স্থানীয় রোগীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এনেস্টিসিয়া, গাইনী ও সার্জারি কনসালটেন্ট না থাকায় হাসপক্তিত অপারেশন থিয়েটার থাকা সত্ত্বেও কোনো ধরনের অস্ত্রাপচার চালু করা যাচ্ছে না। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে অর্থোপেডিক, নাক-কান-গলা, চক্ষু, হৃদরোগ, চর্ম ও যৌন রোগীদেরও যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।বর্তমানে এই ৫০ শয্যা হাসপাতালে ১৮ জন মেডিক্যাল অফিসারের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯ জন। ১১টি বিশেষজ্ঞ (কনসালটেন্ট) পদের মধ্যে শিশু ও এনেস্থিসিয়া বিশেষজ্ঞ পদায়িত থাকলেও তারা সংযুক্তিতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও পরিচ্ছান্নতা কর্মীর সংকটের কারণে হাসপাতালের পরিবেশ পরিস্কার রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। আয়া ও ওয়ার্ড বয়ের অভাবেও রোগীরা কাক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ জানান, বিরামপুরসহ আশপাশের তিন উপজেলার মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় কনসালটেন্ট না থাকায় শিশু, গাইনী, অর্থোপেডিক, নাক-কান-গলা, মেডিসিন, চক্ষু, হহৃদরোগ ও চর্ম রোগীদের সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিরার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার সেন বলেন, সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় কনসালটেন্ট না আসা পর্যন্ত অপারেশন সেবা চালু করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের পরিবেশও পুরোপুরি উন্নত করা সম্ভব হবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন বছর ধরে বন্ধ অপারেশন সেবা, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট সময় : ০৮:২২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ শয্যা) হাসপাতালে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে সিজারিয়ানসহ সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এতে করে স্থানীয় রোগীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এনেস্টিসিয়া, গাইনী ও সার্জারি কনসালটেন্ট না থাকায় হাসপক্তিত অপারেশন থিয়েটার থাকা সত্ত্বেও কোনো ধরনের অস্ত্রাপচার চালু করা যাচ্ছে না। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে অর্থোপেডিক, নাক-কান-গলা, চক্ষু, হৃদরোগ, চর্ম ও যৌন রোগীদেরও যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।বর্তমানে এই ৫০ শয্যা হাসপাতালে ১৮ জন মেডিক্যাল অফিসারের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯ জন। ১১টি বিশেষজ্ঞ (কনসালটেন্ট) পদের মধ্যে শিশু ও এনেস্থিসিয়া বিশেষজ্ঞ পদায়িত থাকলেও তারা সংযুক্তিতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও পরিচ্ছান্নতা কর্মীর সংকটের কারণে হাসপাতালের পরিবেশ পরিস্কার রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। আয়া ও ওয়ার্ড বয়ের অভাবেও রোগীরা কাক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ জানান, বিরামপুরসহ আশপাশের তিন উপজেলার মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় কনসালটেন্ট না থাকায় শিশু, গাইনী, অর্থোপেডিক, নাক-কান-গলা, মেডিসিন, চক্ষু, হহৃদরোগ ও চর্ম রোগীদের সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিরার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার সেন বলেন, সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় কনসালটেন্ট না আসা পর্যন্ত অপারেশন সেবা চালু করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের পরিবেশও পুরোপুরি উন্নত করা সম্ভব হবে না।