ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় ধৃত মাদক কারবারির পলায়ন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চেংজানা গ্রামে স্থানীয় জনতার হাতে আটক তিন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার পরও তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় কাজল নামে এক যুবককে মারধরের অভিযোগে গ্রামবাসী আজিজুল ইসলাম, তার স্ত্রী সালেহা খাতুন ও ছেলে আসাদুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পরে পুলিশ তাদের কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহত আজিজুল ইসলামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আসাদুল এক্স-রে করানোর কথা বলে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। সালেহা খাতুন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।স্থানীয় ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, “পুলিশের হেফাজতে কোনো আসামি ছিল না। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।” ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নেত্রকোনায় ধৃত মাদক কারবারির পলায়ন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চেংজানা গ্রামে স্থানীয় জনতার হাতে আটক তিন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার পরও তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় কাজল নামে এক যুবককে মারধরের অভিযোগে গ্রামবাসী আজিজুল ইসলাম, তার স্ত্রী সালেহা খাতুন ও ছেলে আসাদুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পরে পুলিশ তাদের কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহত আজিজুল ইসলামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আসাদুল এক্স-রে করানোর কথা বলে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। সালেহা খাতুন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।স্থানীয় ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, “পুলিশের হেফাজতে কোনো আসামি ছিল না। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।” ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম।