শনিবার (২০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।
বাপার সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবিরের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত সুপারিশে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি প্রশমনে বর্তমান ০.৭৬ শতাংশ বরাদ্দ যথেষ্ট নয়। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি অন্তত ৩ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।
সুপারিশে বলা হয়, উচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী শিল্প ও লাক্সারি গাড়ি আমদানিতে বিশেষ কার্বন কর আরোপ করে সেই অর্থ পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যবহার করতে হবে। যেসকল শিল্প বর্জ্য শোধনাগার চালায় না, তাদের ওপর কঠোর জরিমানা আরোপ করে সেই তহবিলে কেন্দ্রীয় শোধনাগার নির্মাণ করতে হবে।
সুপারিশে আরো বলা হয়, মহানগরগুলোর ল্যান্ডফিলে বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প গ্রহণ করে পরিবেশ রক্ষা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপার সদস্য ফারহান হোসেন জয়।
তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ প্রায় ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও কঠোর জবাবদিহিতা ছাড়া এই বরাদ্দ শুভঙ্করের ফাঁকি হবে।
বাপা সহসভাপতি অধ্যাপক এম. ফিরোজ আহমেদ বলেন, কার্বন ট্রেডিং কিয়োটো-প্রটোকলের মাধ্যমে বিক্রি করা সম্ভব হলেও বাংলাদেশ তা করতে ব্যর্থ। ফ্লাইওভার তৈরির মাধ্যমে শহরে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পেয়েছে; আন্ডারগ্রাউন্ড যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হলে দূষণের মাত্রা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতো। পয়ঃবর্জ্য ও শিল্প দূষণ সুপেয় পানির উৎস বাধাগ্রস্ত করছে।
বাজেটে ‘গ্রিন জব’ বলতে সরকার আসলে কী বুঝাতে চেয়েছে, সেটি সরকারকে স্পষ্ট করার আহ্বান জানান বাপার সহসভাপতি জাকির হোসেন। তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। বাজেটের বরাদ্দকৃত অর্থ দুর্নীতিমুক্তভাবে খরচ করতে হবে। পরিবেশের বাজেট করার আগে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে।
অনলাইন ডেস্ক 

























