ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ চন্দনা

সাতক্ষীরায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ চন্দনা

সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়া এলাকা থেকে ইনা পারভীন চন্দনা (৩৫) নামের এক গৃহবধূ নিখোঁজ হয়েছেন। গত তিন দিন ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিখোঁজ চন্দনার বাবা মহিউদ্দিন শেখ সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।ইনা পারভীন চন্দনা সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার রবিউল ইসলাম ভেন্ডারের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামের মহিউদ্দিন শেখের মেয়ে।

জিডিতে মহিউদ্দিন শেখ উল্লেখ করেন, স্বামীর সঙ্গে কাটিয়া লস্করপাড়ায় বসবাস করতেন চন্দনা। গত রোববার (১৪ জুন) সকাল ১০টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িতে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা তাকে কোথাও আটকে রাখা হতে পারে বা কোনো ক্ষতির শিকার হয়েছেন— এমন আশঙ্কাও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার তদন্ত করছেন সাতক্ষীরা থানার এসআই আরিফ নিশাত। তিনি জানান, “সব বিষয় মাথায় রেখে আমরা অনুসন্ধান চালাচ্ছি। এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে দেশের সব থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সাতক্ষীরায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ চন্দনা

আপডেট সময় : ১০:২৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়া এলাকা থেকে ইনা পারভীন চন্দনা (৩৫) নামের এক গৃহবধূ নিখোঁজ হয়েছেন। গত তিন দিন ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিখোঁজ চন্দনার বাবা মহিউদ্দিন শেখ সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।ইনা পারভীন চন্দনা সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার রবিউল ইসলাম ভেন্ডারের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামের মহিউদ্দিন শেখের মেয়ে।

জিডিতে মহিউদ্দিন শেখ উল্লেখ করেন, স্বামীর সঙ্গে কাটিয়া লস্করপাড়ায় বসবাস করতেন চন্দনা। গত রোববার (১৪ জুন) সকাল ১০টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িতে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা তাকে কোথাও আটকে রাখা হতে পারে বা কোনো ক্ষতির শিকার হয়েছেন— এমন আশঙ্কাও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার তদন্ত করছেন সাতক্ষীরা থানার এসআই আরিফ নিশাত। তিনি জানান, “সব বিষয় মাথায় রেখে আমরা অনুসন্ধান চালাচ্ছি। এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে দেশের সব থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।”