ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাচ্চাদের বাজারে ব্যবসায় নয় স্কুলে পাঠান।

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা বিরিশিরি ইউনিয়নের কাপাসাটিয়া বাজারের দৃশ্যটি।যে মেয়েটি স্কুলে থাকার কথা, বাড়িতে লেখাপড়া করার কথা.সেই মেয়েটি বাজারে শাক বিক্রি করছে.সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা কোথায়? তাদের চোখে কি এগুলো পড়ছে না?কোথায় এই মেয়েটি অভিভাবক?কারো চোখে কি এই দৃশ্যগুলা পড়ছে না? সমাজের সবার চোখ কি অন্ধ হয়ে গেছে?সমাজ আছে,অভিভাবক আছে,সবাই বিবেকহীন হয়ে পড়েছে। লেখাপড়ার খরচ সরকার দিচ্ছে।দুপুরে টিফিন দিচ্ছে। তারপরও কেন?আমাদের সমাজের,এলাকার ছেলেমেয়েরা শিক্ষাঙ্গনে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে না.শিক্ষায় মনোযোগ দিচ্ছে না।এটা আমাদের সমাজের প্রভাবশালীদের এবং দায়িত্বশীলদের সচেতনতার অভাব।আমরা তাদেরকে আগ্রহী করাতে পারছি না।এটা আমাদের ব্যর্থতা।তাই দুর্গাপুর কলমাকান্দার সংসদ সদস্য, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নিকট আবেদন জানাচ্ছি।এ ধরনের প্রতিটি অভিভাবক কে,সচেতন করে তোলা।এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।যদি অভিভাবকদের আইনের আওতায় আনা হয়. তাহলে আমাদের সমাজে এবং এলাকায় মূর্খতা থাকবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বাচ্চাদের বাজারে ব্যবসায় নয় স্কুলে পাঠান।

আপডেট সময় : ১২:০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা বিরিশিরি ইউনিয়নের কাপাসাটিয়া বাজারের দৃশ্যটি।যে মেয়েটি স্কুলে থাকার কথা, বাড়িতে লেখাপড়া করার কথা.সেই মেয়েটি বাজারে শাক বিক্রি করছে.সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা কোথায়? তাদের চোখে কি এগুলো পড়ছে না?কোথায় এই মেয়েটি অভিভাবক?কারো চোখে কি এই দৃশ্যগুলা পড়ছে না? সমাজের সবার চোখ কি অন্ধ হয়ে গেছে?সমাজ আছে,অভিভাবক আছে,সবাই বিবেকহীন হয়ে পড়েছে। লেখাপড়ার খরচ সরকার দিচ্ছে।দুপুরে টিফিন দিচ্ছে। তারপরও কেন?আমাদের সমাজের,এলাকার ছেলেমেয়েরা শিক্ষাঙ্গনে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে না.শিক্ষায় মনোযোগ দিচ্ছে না।এটা আমাদের সমাজের প্রভাবশালীদের এবং দায়িত্বশীলদের সচেতনতার অভাব।আমরা তাদেরকে আগ্রহী করাতে পারছি না।এটা আমাদের ব্যর্থতা।তাই দুর্গাপুর কলমাকান্দার সংসদ সদস্য, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নিকট আবেদন জানাচ্ছি।এ ধরনের প্রতিটি অভিভাবক কে,সচেতন করে তোলা।এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।যদি অভিভাবকদের আইনের আওতায় আনা হয়. তাহলে আমাদের সমাজে এবং এলাকায় মূর্খতা থাকবে না।