ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেট ভালো থাকলে মনও ভালো?নতুন তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞ

সাম্প্রীতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে দাবি করা হচ্ছে –“পেট ঠিক = মন ঠিক “।ভিডিওটিতে বলা হয়, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতার পিছনে অনেক অন্ত্র বা পেটের সমস্যাও ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পুরোপুরি ভিত্তিহীন নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ” Gut-Brain Axis” বা “অন্ত্র-
মস্তিষ্ক সংযোগ” নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, সেখানে মানুষের মস্তিষ্ক ও পরিপাকতন্ত্র অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া শুধু হজমে সাহায্য করে না, বরং মানসিক অবস্থার উপর ও প্রভাব ফেলতে পারে। অন্ত্রের ভারসাম্য তাহলে উদ্বেগ,মানসিক চাপ ও দুটি বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু”VagusNerve” মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে বড় ভূমিকা রাখে। ফলে মানসিক চাপ বাড়লে পেটে অস্বস্তি, গ্যাস, বদহজম বা ক্ষুদামন্দা দেখা দিতে পারে। আবার দীর্ঘদিনের অন্ত্রের সমস্যাও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু পেটের সমস্যা ঠিক করলেই সব ধরনের বিষন্নতা বা মানসিক রোগ সেরে যাবে –এমনটা ধারণা ঠিক নয়। মানসিক স্বাস্থ্যের পিছনে পারিবারিক, সামাজিক, জৈবিক ও পরিবেশগত নানা কারণ কাজ করে। তাই দীর্ঘদিন উদ্বেগ হতাশা বা বিষন্নতায় ভুগলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, আঁশযুক্ত খাবার, শাক সবজি, ফলমূল, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ঘুম ও ব্যায়াম অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুট, মানুষিক চাপ অনিয়মিত জীবনযাপন অন্ত্র-মস্তিষ্ক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, “মন ও পেটের সম্পর্ক রয়েছে “…..হবে এটি একটি জটিল ও দ্বিমুখী সম্পর্ক। তাই শারীরিক ও মানসিক—-দুই ধরনের স্বাস্থ্যের প্রতিই সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পেট ভালো থাকলে মনও ভালো?নতুন তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞ

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

সাম্প্রীতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে দাবি করা হচ্ছে –“পেট ঠিক = মন ঠিক “।ভিডিওটিতে বলা হয়, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতার পিছনে অনেক অন্ত্র বা পেটের সমস্যাও ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পুরোপুরি ভিত্তিহীন নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ” Gut-Brain Axis” বা “অন্ত্র-
মস্তিষ্ক সংযোগ” নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, সেখানে মানুষের মস্তিষ্ক ও পরিপাকতন্ত্র অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া শুধু হজমে সাহায্য করে না, বরং মানসিক অবস্থার উপর ও প্রভাব ফেলতে পারে। অন্ত্রের ভারসাম্য তাহলে উদ্বেগ,মানসিক চাপ ও দুটি বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু”VagusNerve” মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে বড় ভূমিকা রাখে। ফলে মানসিক চাপ বাড়লে পেটে অস্বস্তি, গ্যাস, বদহজম বা ক্ষুদামন্দা দেখা দিতে পারে। আবার দীর্ঘদিনের অন্ত্রের সমস্যাও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু পেটের সমস্যা ঠিক করলেই সব ধরনের বিষন্নতা বা মানসিক রোগ সেরে যাবে –এমনটা ধারণা ঠিক নয়। মানসিক স্বাস্থ্যের পিছনে পারিবারিক, সামাজিক, জৈবিক ও পরিবেশগত নানা কারণ কাজ করে। তাই দীর্ঘদিন উদ্বেগ হতাশা বা বিষন্নতায় ভুগলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, আঁশযুক্ত খাবার, শাক সবজি, ফলমূল, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ঘুম ও ব্যায়াম অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুট, মানুষিক চাপ অনিয়মিত জীবনযাপন অন্ত্র-মস্তিষ্ক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, “মন ও পেটের সম্পর্ক রয়েছে “…..হবে এটি একটি জটিল ও দ্বিমুখী সম্পর্ক। তাই শারীরিক ও মানসিক—-দুই ধরনের স্বাস্থ্যের প্রতিই সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।