ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহিদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক কমিটির সদস্য, এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক জনাব মোখলেসুর রহমান জাহিদ।

শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন।

বাণীতে জনাব মোখলেসুর রহমান জাহিদ বলেন—

“শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন এক কালজয়ী নেতা। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি দিশেহারা জাতিকে যুদ্ধের ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে যখন একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল, তখন তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে দেশের মানুষকে বাক-স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। তাঁর হাত ধরেই আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে শহিদ জিয়ার আদর্শ আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। তরুণ ও যুবসমাজকে তাঁর দেশপ্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, জনাব মোখলেসুর রহমান জাহিদ
শহিদ জিয়ার অবিনশ্বর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর রেখে যাওয়া জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

শহিদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৮:১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক কমিটির সদস্য, এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক জনাব মোখলেসুর রহমান জাহিদ।

শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন।

বাণীতে জনাব মোখলেসুর রহমান জাহিদ বলেন—

“শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন এক কালজয়ী নেতা। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি দিশেহারা জাতিকে যুদ্ধের ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে যখন একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল, তখন তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে দেশের মানুষকে বাক-স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। তাঁর হাত ধরেই আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে শহিদ জিয়ার আদর্শ আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। তরুণ ও যুবসমাজকে তাঁর দেশপ্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, জনাব মোখলেসুর রহমান জাহিদ
শহিদ জিয়ার অবিনশ্বর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর রেখে যাওয়া জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।