দুর্গাপুর উপজেলা থেকে নেওয়া প্রতিবেদনটি,গত টানা ১৫দিনের বৃষ্টিতে,ধানের বেহাল অবস্থা।ধান বিক্রি করতে নিয়ে ধান বিক্রি করতে পারছেন না।বৃষ্টির মধ্যে জমা করে রাখা ধানে চারা এসে গেছে.যার ফলে কৃষকের বেহাল অবস্থা। এবছর কৃষকের ন্যায্য অধিকার কৃষকরা পাচ্ছে না.ধান কাটার জন্য শ্রমিকের মজুরী দিতে হচ্ছে ১৫০০শ টাকা।ধান বিক্রি হচ্ছে ৮০০শত টাকা।এটা কৃষকদের কে নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে।বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়েছিল কৃষকদের ভর্তুকি দেয়া হবে.এটা নিয়েও কৃষকদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে।যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা ভর্তুকি পাচ্ছে না,এবং তাদের নামও তালিকাভুক্ত হয় নাই।ভর্তুকি পাচ্ছে মেম্বার চেয়ারম্যানদের নিজস্ব লোক।বর্তমান দুর্গাপুর কলমাকান্দার সংসদ সদস্য,ডেপুটি স্পিকার,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল.এ ব্যাপারে সতর্ক হবেন।যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,তারা যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পায়। আর যাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তালিকা করার জন্য.তারা দলীয়করণ ভাবে তালিকাভুক্ত করেছে।আশা করি.দুর্গাপুর কলমাকান্দার বর্তমান সংসদ সদস্য ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল.তাদের নিকট সতর্ক বার্তা পৌঁছে দেবেন।
টানা ১৫ দিনের বেষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাথায় হাত।
-
মোঃ বদরুল আলম দুর্গাপুর প্রতিনিধি। - আপডেট সময় : ০২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
- 191
জনপ্রিয় সংবাদ




















