ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘোগাদহ ইউনিয়নে কোরবানির মাংস বিতরণে টাকা আদায়ের অভিযোগ, ক্ষোভ স্থানীয়দের

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সংগঠনটি দরিদ্র মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের উদ্যোগ নেয়। প্রতি পরিবারকে ৩ কেজি করে মাংস দেওয়ার কথা বলা হলেও, মাংস নিতে আসা প্রত্যেকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি নির্ধারিত টাকা দিতে না পারায় অনেক পরিবারকে মাংস ছাড়াই ফিরে যেতে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী নুর আমিন বলেন,আমরা গরিব মানুষ। টাকা থাকলে নিজেরাই কোরবানি দিতাম কিংবা বাজার থেকে মাংস কিনে আনতাম। টাকা দিতে পারিনি বলেই মাংসও পাইনি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, মানবিক সহায়তার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং মানবিকতার পরিপন্থী। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয়ভাবে রকেট, মামুন ও শহিদুল নামের কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে সংগঠনের প্রতিনিধি মো. মাসুদ রানা বলেন,আমাদের কিছু শর্ত ছিল। যারা সেই শর্ত মানেনি, তাদের কোরবানির মাংস দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন,বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ঘোগাদহ ইউনিয়নে কোরবানির মাংস বিতরণে টাকা আদায়ের অভিযোগ, ক্ষোভ স্থানীয়দের

আপডেট সময় : ০২:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সংগঠনটি দরিদ্র মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের উদ্যোগ নেয়। প্রতি পরিবারকে ৩ কেজি করে মাংস দেওয়ার কথা বলা হলেও, মাংস নিতে আসা প্রত্যেকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি নির্ধারিত টাকা দিতে না পারায় অনেক পরিবারকে মাংস ছাড়াই ফিরে যেতে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী নুর আমিন বলেন,আমরা গরিব মানুষ। টাকা থাকলে নিজেরাই কোরবানি দিতাম কিংবা বাজার থেকে মাংস কিনে আনতাম। টাকা দিতে পারিনি বলেই মাংসও পাইনি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, মানবিক সহায়তার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং মানবিকতার পরিপন্থী। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয়ভাবে রকেট, মামুন ও শহিদুল নামের কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে সংগঠনের প্রতিনিধি মো. মাসুদ রানা বলেন,আমাদের কিছু শর্ত ছিল। যারা সেই শর্ত মানেনি, তাদের কোরবানির মাংস দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন,বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।