ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলোচিত বিরল প্রজাতির সেই গিলা গাছ এখন ধ্বংসের মুখে।

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় জোতবাণি ইউনিয়নের বন বিভাগের অংশে এই গিলা গাছের জন্ম। এই গাছের ফল তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়ার জন্যে রোপন করেছিলেন আজ থেকে ১৬ বছর আগে। ভাল ফল এবং এর উপকারিতার জন্য কখনো গাছটি কাটেন নি গাছের রোপন কারী। এই গাছের ফল রান্না করে খাওয়া ছাড়াও গাছটির রয়েছে ঔষুধি নানা গুন। বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয় এই গাছের লতা, পাতা,ফল সহ শেকড়। এমন মন মুগ্ধকর শাল বনের মাঝে এমন সুন্দর বিরল গিলা গাছটি দেখতে ছুটে আসছেন দিনাজপুর জেলাসহ আসে-পাশের জেলা গুলো থেকেও,যেমন;দিনাজপুর, জয়পুর,গাইবান্ধা, রংপুরও বগুড়া থেকে ছুটে আসছেন বৃক্ষ প্রেমিরা। বিরল প্রজাতির গাছটি জনসমূখে সারা ফেলানোর জন্য গাছটি চোখে আসে প্রসাশ্বনের। দিনাজপুর জেলার বিরামপুর বনবিভাগের সরকারি বন বিভাগ হওয়ার কারনে বনবিভাগের কর্মকর্তারা নুটিশ বোর্ড ছুলিয়ে দিয়ে যায় গাছটিকে রক্ষাত্রে। বনবিভাগের নুটিশবোডে প্রকৃত গাছ রোপন কারি গাছটির পরিচর্যা করতে পারছেন না আগের মত বলে জানান রোপন কারি। তাছাড়া উক্ত বন রক্ষাত্রে দিনাজপুর বনবিভাগ এখনো তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। শালবনের শাল গাছ চুরির অভিযোগ আছে বলে আরো জানা গিয়েছে। তাছাড়া উক্ত বন খুন, ছিনতাই, অসামাজিক কাজ ও ছিনতাই কারিদের কবলে বলে জানান স্থানিয়রা। সবাই চায় দূত নিরাপত্তাবাহীনির পদক্ষেপ

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

আলোচিত বিরল প্রজাতির সেই গিলা গাছ এখন ধ্বংসের মুখে।

আপডেট সময় : ০৪:২৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় জোতবাণি ইউনিয়নের বন বিভাগের অংশে এই গিলা গাছের জন্ম। এই গাছের ফল তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়ার জন্যে রোপন করেছিলেন আজ থেকে ১৬ বছর আগে। ভাল ফল এবং এর উপকারিতার জন্য কখনো গাছটি কাটেন নি গাছের রোপন কারী। এই গাছের ফল রান্না করে খাওয়া ছাড়াও গাছটির রয়েছে ঔষুধি নানা গুন। বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয় এই গাছের লতা, পাতা,ফল সহ শেকড়। এমন মন মুগ্ধকর শাল বনের মাঝে এমন সুন্দর বিরল গিলা গাছটি দেখতে ছুটে আসছেন দিনাজপুর জেলাসহ আসে-পাশের জেলা গুলো থেকেও,যেমন;দিনাজপুর, জয়পুর,গাইবান্ধা, রংপুরও বগুড়া থেকে ছুটে আসছেন বৃক্ষ প্রেমিরা। বিরল প্রজাতির গাছটি জনসমূখে সারা ফেলানোর জন্য গাছটি চোখে আসে প্রসাশ্বনের। দিনাজপুর জেলার বিরামপুর বনবিভাগের সরকারি বন বিভাগ হওয়ার কারনে বনবিভাগের কর্মকর্তারা নুটিশ বোর্ড ছুলিয়ে দিয়ে যায় গাছটিকে রক্ষাত্রে। বনবিভাগের নুটিশবোডে প্রকৃত গাছ রোপন কারি গাছটির পরিচর্যা করতে পারছেন না আগের মত বলে জানান রোপন কারি। তাছাড়া উক্ত বন রক্ষাত্রে দিনাজপুর বনবিভাগ এখনো তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। শালবনের শাল গাছ চুরির অভিযোগ আছে বলে আরো জানা গিয়েছে। তাছাড়া উক্ত বন খুন, ছিনতাই, অসামাজিক কাজ ও ছিনতাই কারিদের কবলে বলে জানান স্থানিয়রা। সবাই চায় দূত নিরাপত্তাবাহীনির পদক্ষেপ