পটুয়াখালী জেলাজুড়ে অপরাধ দমন, দাগি আসামি ও ডাকাত গ্রেফতার এবং সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা পুলিশের ‘শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ’ (ওসি) হিসেবে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মো. মনিরুজ্জামান।
একই সাথে সদর থানায় কর্মরত অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) মো. মোজাম্মেল হক রিপন রেকর্ডসংখ্যক ওয়ারেন্ট তামিল করে জেলা পুলিশের বিশেষ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।
গত মার্চ এবং এপ্রিল (২০২৬) মাসের কর্মদক্ষতা ও চৌকস পুলিশিং কার্যক্রমের মূল্যায়ন শেষে পটুয়াখালীর মান্যবর পুলিশ সুপার মহোদয় আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে এই বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন।
পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মার্চ ও এপ্রিল মাসে পটুয়াখালী সদর থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। ওসি মো. মনিরুজ্জামানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও নিপুণ দিকনির্দেশনায় সদর থানা পুলিশ মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি, দুর্ধর্ষ ডাকাত এবং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা বহু দাগি আসামিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
বিশেষ করে, জেলাজুড়ে অধিক পরিমাণে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আইনের আওতায় নিয়ে আসায় এবং মাদক ও ডাকাতি রোধে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ মূল্যায়নে তিনি এই শ্রেষ্ঠ ওসির মর্যাদা লাভ করেন।
মাসের পর মাস আদালত থেকে পরোয়ানা জারি হওয়া পলাতক আসামিদের নিখুঁত কৌশলে গ্রেফতার করে আইনের মুখোমুখি করায় সদর থানার এএসআই মো. মোজাম্মেল হক রিপন-কে ‘বিশেষ পুরস্কারে’ পুরস্কৃত করেন মান্যবর পুলিশ সুপার মহোদয়। তাঁর এই অনন্য তৎপরতা অপরাধীদের দমনে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।
এএসআই মোজাম্মেল হক রিপনের পাশাপাশি পটুয়াখালী সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরদের (এএসআই) মাঠপর্যায়ের কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। দাগি আসামি ও ডাকাত ওত পেতে গ্রেফতার, মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সদর থানার আরও বেশ কয়েকজন এসআই ও এএসআই-কে বিশেষ মেডেল ও পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।
পুরস্কার প্রাপ্তি শেষে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মো. মনিরুজ্জামান এবং এএসআই মোজাম্মেল হক রিপন এই অর্জনের জন্য পটুয়াখালীর মান্যবর পুলিশ সুপার মহোদয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, “এই পুরস্কার আমাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও বেশি দায়বদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে।” পটুয়াখালী সদর থানা এলাকাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ, শান্ত ও অপরাধমুক্ত রাখতে তাঁরা সাধারণ জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
মো. আতিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার 



















