ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস, সংবাদকর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন বন্দর সিবিএ, নেতা কামরুল হাসান চৌধুরী।

 

‘মুক্ত সাংবাদিকতা ও তথ্যের অধিকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এই বিশেষ দিনটিতে দেশের সকল নির্ভীক গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ-র বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা জনাব কামরুল হাসান চৌধুরী।

এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে গণমাধ্যমকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের মতো জাতীয় অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডের নানা সংবাদ দেশ ও বিদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

শুভেচ্ছা বার্তায় কামরুল হাসান চৌধুরী উল্লেখ করেন:

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করে সাংবাদিকরা সত্যকে তুলে ধরেন।

রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে গণমাধ্যম দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করছে।

সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার এবং বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য তুলে ধরতে গণমাধ্যম সবসময়ই ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। সংবাদকর্মীদের এই অক্লান্ত পরিশ্রমকে আমি শ্রদ্ধা জানাই।”

পরিশেষে তিনি সকল গণমাধ্যমকর্মীর উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের গণমাধ্যম আরও শক্তিশালী হবে এবং সমাজ থেকে অন্যায় ও দুর্নীতি দূর করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস, সংবাদকর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন বন্দর সিবিএ, নেতা কামরুল হাসান চৌধুরী।

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

‘মুক্ত সাংবাদিকতা ও তথ্যের অধিকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এই বিশেষ দিনটিতে দেশের সকল নির্ভীক গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ-র বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা জনাব কামরুল হাসান চৌধুরী।

এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে গণমাধ্যমকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের মতো জাতীয় অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডের নানা সংবাদ দেশ ও বিদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

শুভেচ্ছা বার্তায় কামরুল হাসান চৌধুরী উল্লেখ করেন:

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করে সাংবাদিকরা সত্যকে তুলে ধরেন।

রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে গণমাধ্যম দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করছে।

সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার এবং বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য তুলে ধরতে গণমাধ্যম সবসময়ই ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। সংবাদকর্মীদের এই অক্লান্ত পরিশ্রমকে আমি শ্রদ্ধা জানাই।”

পরিশেষে তিনি সকল গণমাধ্যমকর্মীর উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের গণমাধ্যম আরও শক্তিশালী হবে এবং সমাজ থেকে অন্যায় ও দুর্নীতি দূর করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।