ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে জ্বালানি তেলের কোনো বাস্তব সংকট নেই, তবুও কেন লম্বা লাইন

নালিতাবাড়ীতে জ্বালানি তেলের কোনো বাস্তব সংকট নেই—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনকে ‘কৃত্রিম সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নালিতাবাড়ীর হাজী সাইজ উদ্দিন ফিলিং স্টেশনে মোট ২৭ হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে। আজ আরও ১৩ হাজার ৫০০ লিটার তেল পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফলে চার দিনে মোট সরবরাহ দাঁড়াবে ৪০ হাজার ৫০০ লিটার—যা এই স্টেশনের পূর্বের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আগে যেখানে সংকটের সময় এক-দুই দিন পরপর মাত্র ৪-৫ হাজার লিটার তেল আসতো, সেখানে এখন সরবরাহ অনেক বেশি।

মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ সারি থাকলেও কর্তৃপক্ষের দাবি—এটি তেলের ঘাটতির কারণে নয়। বরং তেল শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় মানুষ একসাথে বেশি পরিমাণে তেল নিতে ভিড় করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রাহককে তেল ছাড়া ফিরে যেতে হয়নি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ফিলিং স্টেশন থেকে তেল কিনে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে প্রশাসন সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নালিতাবাড়ীতে জ্বালানি তেলের কোনো বাস্তব সংকট নেই, তবুও কেন লম্বা লাইন

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

নালিতাবাড়ীতে জ্বালানি তেলের কোনো বাস্তব সংকট নেই—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনকে ‘কৃত্রিম সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নালিতাবাড়ীর হাজী সাইজ উদ্দিন ফিলিং স্টেশনে মোট ২৭ হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে। আজ আরও ১৩ হাজার ৫০০ লিটার তেল পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফলে চার দিনে মোট সরবরাহ দাঁড়াবে ৪০ হাজার ৫০০ লিটার—যা এই স্টেশনের পূর্বের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আগে যেখানে সংকটের সময় এক-দুই দিন পরপর মাত্র ৪-৫ হাজার লিটার তেল আসতো, সেখানে এখন সরবরাহ অনেক বেশি।

মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ সারি থাকলেও কর্তৃপক্ষের দাবি—এটি তেলের ঘাটতির কারণে নয়। বরং তেল শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় মানুষ একসাথে বেশি পরিমাণে তেল নিতে ভিড় করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রাহককে তেল ছাড়া ফিরে যেতে হয়নি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ফিলিং স্টেশন থেকে তেল কিনে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে প্রশাসন সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।