ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লামায় দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী (পরিবার)

লামায় দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী (পরিবার)

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলাধীন ৫ নং সরই ইউনিয়নের বাসিন্দা।
অভিযোগ কারী নজির আহমদ পিতা কালু মিয়া সাং সালাম মেম্বার পাড়া ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি থানা লামা বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

অভিযুক্তরা হলেন (১) মেম্বার হোসেন ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি (২) মেম্বার আবদুল জব্বার ৩ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি এবং হাসিনা আক্তার স্বামী সামশুল আলম সাং সালাম মেম্বার পাড়া ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি থানা লামা বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
অভিযোগ,সূত্রে জানা যায় বান্দরবান,জেলার, লামা উপজেলাধীন ৫ নং সরই ইউনিয়নের, সালাম, মেম্বার, পাড়ার,বাসিন্দা, নজির আহমদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন কে হাছিনা আক্তার গত ২০/২/২০২৬ ইং তারিখে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে এবং পাশ্ববর্তী মোহাম্মদ এর ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাহিরে দরজা বন্ধ করে দেয় এরপর দেলোয়ার,হোসেন কে আটক করে জিম্মি করে অভিযুক্তরা।

একপর্যায়ে মিথ্যা নাটক মঞ্চস্থ তৈরি করে মোহাম্মদের মেয়ের সাথে দেলোয়ারের ,অবৈধ সম্পর্ক এবং মেয়ে টি দুই মাসের গর্ভবতী উল্লেখ করে মিথ্যা সাজানো,নাটক করে ১০০ টাকা মূল্যের ৩ টি অলেখিত এষ্টাম কাগজে জোরপূর্বক, স্বাক্ষর নেন এবং আরো দুই টি বিবাহ পদ্ব নামা কাগজে, জোরপূর্বক, স্বাক্ষর নেন অভিযুক্তরা ।
এরপর গত ২৩/২/২০২৬ ইং তারিখে দিবাগত,রাতে ১২ টা ৩০ মিনিটে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ভিকটিম দেলোয়ারের, ঘর ঘেরাও করে অভিযুক্ত ,হোসেন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী, এসময় ঘরে থাকা দেলোয়ার এবং তার মামা জেয়াবুল হোসেন,প্রাণভয়ে, পালিয়ে, পার্শ্ববর্তী ,জঙ্গলে, আশ্রয় নেয় এদিকে অভিযুক্তরা দেলোয়ার কে না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার এর বাবা নজির আহমদ কে অমানবিক নির্যাতন করে অক্ষাত্ব ভাষায় গালিগালাজ করে ও লান্থিত করে।
এরপর দিন ২৪/২/২০২৬ ইং তারিখে দেলোয়ার প্রবাসে জাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম এয়ারপোটের উদ্দেশ্যে রওনা হয় । মাঝখানে অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে পরোয়া বাজারে দেলোয়ার কে আটক করে মারধর করে তুলে নিয়ে যায় কাজি অফিসে নিয়ে মোহাম্মদ এর মেয়ে কামরু নেছা ১৪ এর সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেন অভিযুক্তরা।

ঘটনার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে উক্ত ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সাঞ্চলের সৃষ্টি হয় জনমণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ।

এদিকে অভিযুক্ত দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান স্থানীয় প্রত্যেক ধরশীরা হলেন আব্দস সালাম, প্রাক্তন মেম্বার ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি এবং সমাজের ,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক, ব্যক্তিরা জানান সমাজের, জনপ্রতিনিধিরা,যদি দেশের প্রচলিত, আইন আদালত,না মানে সাধারণ, জনগণের, আশ্রয় নেয়ার স্থান কোথায় পাবেন এ প্রশ্ন জনমনে।

এদিকে অভিযুক্ত, জব্বর মেম্বারের, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন দেলোয়ার, কে জেলে না দিয়ে বিয়ে দিয়েছেন তিনি এতে তার শাস্তি কম হয়েছে বলে জানান, কিন্তু ধর্ষণ এবং গর্ভবতী ,প্রসঙ্গে কোন সদ উত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত জব্বর মেম্বার।

এ ছাড়াও অপর অভিযুক্ত মেম্বার হোসেন বলেন ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে উরিয় দেন ।
এদিকে ধর্ষণ ও গর্ভবতীর বিষয় টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে লোহাগাড়া উপজেলা এশিয়াল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্ট থেকে দেখা যায় রিপোর্ট টি নেগেটিভ।

এদিকে বিয়ের ঘটনা অস্বীকার করেছেন কাজী মাওলানা ফরিদ উদ্দিন ও মাওলানা আব্দুল সফুর বলেন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করে গত
২৪ /০১/২০২৬ ইং তারিখে কোন বিয়ে হয়নি কিন্তু বিয়ের ঘটনা সত্যি এ বিষয়ে উভয় পরিবারের এবং নিরপক্ষ সাক্ষীদের দেয়া তথ্যমতে মাওলানা ফরিদুল আলম বাল্যবিবাহ আইন ভঙ্গ করে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন ঘটনাটি নেক্কারজনক , ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে ভুক্তভোগী লেখিত অভিযোগ করার পর থেকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদেরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে এবং লেখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের কিছুই করতে পারবেনা বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্তরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

লামায় দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী (পরিবার)

আপডেট সময় : ০৩:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলাধীন ৫ নং সরই ইউনিয়নের বাসিন্দা।
অভিযোগ কারী নজির আহমদ পিতা কালু মিয়া সাং সালাম মেম্বার পাড়া ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি থানা লামা বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

অভিযুক্তরা হলেন (১) মেম্বার হোসেন ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি (২) মেম্বার আবদুল জব্বার ৩ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি এবং হাসিনা আক্তার স্বামী সামশুল আলম সাং সালাম মেম্বার পাড়া ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি থানা লামা বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
অভিযোগ,সূত্রে জানা যায় বান্দরবান,জেলার, লামা উপজেলাধীন ৫ নং সরই ইউনিয়নের, সালাম, মেম্বার, পাড়ার,বাসিন্দা, নজির আহমদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন কে হাছিনা আক্তার গত ২০/২/২০২৬ ইং তারিখে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে এবং পাশ্ববর্তী মোহাম্মদ এর ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাহিরে দরজা বন্ধ করে দেয় এরপর দেলোয়ার,হোসেন কে আটক করে জিম্মি করে অভিযুক্তরা।

একপর্যায়ে মিথ্যা নাটক মঞ্চস্থ তৈরি করে মোহাম্মদের মেয়ের সাথে দেলোয়ারের ,অবৈধ সম্পর্ক এবং মেয়ে টি দুই মাসের গর্ভবতী উল্লেখ করে মিথ্যা সাজানো,নাটক করে ১০০ টাকা মূল্যের ৩ টি অলেখিত এষ্টাম কাগজে জোরপূর্বক, স্বাক্ষর নেন এবং আরো দুই টি বিবাহ পদ্ব নামা কাগজে, জোরপূর্বক, স্বাক্ষর নেন অভিযুক্তরা ।
এরপর গত ২৩/২/২০২৬ ইং তারিখে দিবাগত,রাতে ১২ টা ৩০ মিনিটে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ভিকটিম দেলোয়ারের, ঘর ঘেরাও করে অভিযুক্ত ,হোসেন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী, এসময় ঘরে থাকা দেলোয়ার এবং তার মামা জেয়াবুল হোসেন,প্রাণভয়ে, পালিয়ে, পার্শ্ববর্তী ,জঙ্গলে, আশ্রয় নেয় এদিকে অভিযুক্তরা দেলোয়ার কে না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার এর বাবা নজির আহমদ কে অমানবিক নির্যাতন করে অক্ষাত্ব ভাষায় গালিগালাজ করে ও লান্থিত করে।
এরপর দিন ২৪/২/২০২৬ ইং তারিখে দেলোয়ার প্রবাসে জাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম এয়ারপোটের উদ্দেশ্যে রওনা হয় । মাঝখানে অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে পরোয়া বাজারে দেলোয়ার কে আটক করে মারধর করে তুলে নিয়ে যায় কাজি অফিসে নিয়ে মোহাম্মদ এর মেয়ে কামরু নেছা ১৪ এর সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেন অভিযুক্তরা।

ঘটনার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে উক্ত ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সাঞ্চলের সৃষ্টি হয় জনমণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ।

এদিকে অভিযুক্ত দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান স্থানীয় প্রত্যেক ধরশীরা হলেন আব্দস সালাম, প্রাক্তন মেম্বার ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি এবং সমাজের ,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক, ব্যক্তিরা জানান সমাজের, জনপ্রতিনিধিরা,যদি দেশের প্রচলিত, আইন আদালত,না মানে সাধারণ, জনগণের, আশ্রয় নেয়ার স্থান কোথায় পাবেন এ প্রশ্ন জনমনে।

এদিকে অভিযুক্ত, জব্বর মেম্বারের, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন দেলোয়ার, কে জেলে না দিয়ে বিয়ে দিয়েছেন তিনি এতে তার শাস্তি কম হয়েছে বলে জানান, কিন্তু ধর্ষণ এবং গর্ভবতী ,প্রসঙ্গে কোন সদ উত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত জব্বর মেম্বার।

এ ছাড়াও অপর অভিযুক্ত মেম্বার হোসেন বলেন ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে উরিয় দেন ।
এদিকে ধর্ষণ ও গর্ভবতীর বিষয় টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে লোহাগাড়া উপজেলা এশিয়াল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্ট থেকে দেখা যায় রিপোর্ট টি নেগেটিভ।

এদিকে বিয়ের ঘটনা অস্বীকার করেছেন কাজী মাওলানা ফরিদ উদ্দিন ও মাওলানা আব্দুল সফুর বলেন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করে গত
২৪ /০১/২০২৬ ইং তারিখে কোন বিয়ে হয়নি কিন্তু বিয়ের ঘটনা সত্যি এ বিষয়ে উভয় পরিবারের এবং নিরপক্ষ সাক্ষীদের দেয়া তথ্যমতে মাওলানা ফরিদুল আলম বাল্যবিবাহ আইন ভঙ্গ করে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন ঘটনাটি নেক্কারজনক , ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে ভুক্তভোগী লেখিত অভিযোগ করার পর থেকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদেরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে এবং লেখিত অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের কিছুই করতে পারবেনা বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্তরা।