ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শায়েস্তাগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি জামাল গ্রেপ্তার



‎হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি মো. জামাল মিয়া (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

‎র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯) বুধবার রাতে সিলেট নগরের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

‎র‍্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জামাল মিয়াকে আটক করা হয়। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
‎র‍্যাব ও মামলা সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বাসিন্দা।

‎পারিবারিক বিরোধের জেরে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি শায়েস্তাগঞ্জের শৈলজুড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। গত ৬ এপ্রিল রাতে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে বাইরে বের হলে আলিপুর এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি সেখান থেকে চলে গেলে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎ঘটনার পরদিন সকালে ভুক্তভোগী নারী শায়েস্তাগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এরপর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

‎র‍্যাব জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনতে তাদের তৎপরতা চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিরিজ বাঁচাতে মাঠে নামার আগেই বড় দুঃসংবাদ পাকিস্তানের

শায়েস্তাগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি জামাল গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬



‎হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি মো. জামাল মিয়া (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

‎র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯) বুধবার রাতে সিলেট নগরের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

‎র‍্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জামাল মিয়াকে আটক করা হয়। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
‎র‍্যাব ও মামলা সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বাসিন্দা।

‎পারিবারিক বিরোধের জেরে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি শায়েস্তাগঞ্জের শৈলজুড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। গত ৬ এপ্রিল রাতে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে বাইরে বের হলে আলিপুর এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি সেখান থেকে চলে গেলে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎ঘটনার পরদিন সকালে ভুক্তভোগী নারী শায়েস্তাগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এরপর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

‎র‍্যাব জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনতে তাদের তৎপরতা চলমান রয়েছে।