ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ শিশুর হাম রুবেলা শনাক্ত।

  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • 400

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা রাণীশংকৈল ও হরিপুরে হাম রোগীর সনাক্তের পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সকল মানুষের মধ্যে ,তবে ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে আক্রান্ত রোগীরা কেহই আগে হামের টিকার আওতায় ছিল না ,
দুঃখের বিষয় হলো গ্রামের কিছু লোক এখনও জানে না হাম রোগ কি, এই রোগ কি রকম ,কিভাবে ছড়ায়, হামের টিকা দিতে হবে সেটাও জানে না,
হাম সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা হলো: হাম একটি অত্যন্ত ছোয়াচে রোগ যা মিজেলাশ ভাইরাস (measles virus) নামক, ভাইরাসের কারণে এই রোগ হয়, এটি মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির হাচি, কাশি বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে, বাতাসে ছড়ায় এবং সুস্থ মানুষের শরীর স্বাস নালীর দিয়ে প্রবেশ করে ,আক্রান্ত ব্যক্তি ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমেও এ রোগ ছড়ায়, হাম রোগের ভাইরাস বাতাসে ২ ঘন্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে, এ রোগ আক্রমণের সময় বা ফুসকুড়ি বের হওয়ার চারদিন আগ থেকেই পরবর্তী চার পাঁচ দিন পর্যন্ত বেশি ছড়ায়, সাধারণত যাদের হামের টিকা দেওয়া না থাকলে এ রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা দ্রুত আক্রান্ত হয়, ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ১০থেকে ১৪ দিন পর লক্ষণ দেখা দেয় ,যেমন জ্বর ,সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং পরে সারা শরীরে রেস ফুসকুড়ি দেখা দেয় ,
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল এম আর(MR) ভ্যাকসিন বা হামের টিকা গ্রহণ করা, হাম রোগীদের থেকে দূরে থাকাএবং দ্রুত ডাক্তারের সনাপন্ন হওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ শিশুর হাম রুবেলা শনাক্ত।

আপডেট সময় : ০১:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা রাণীশংকৈল ও হরিপুরে হাম রোগীর সনাক্তের পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সকল মানুষের মধ্যে ,তবে ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে আক্রান্ত রোগীরা কেহই আগে হামের টিকার আওতায় ছিল না ,
দুঃখের বিষয় হলো গ্রামের কিছু লোক এখনও জানে না হাম রোগ কি, এই রোগ কি রকম ,কিভাবে ছড়ায়, হামের টিকা দিতে হবে সেটাও জানে না,
হাম সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা হলো: হাম একটি অত্যন্ত ছোয়াচে রোগ যা মিজেলাশ ভাইরাস (measles virus) নামক, ভাইরাসের কারণে এই রোগ হয়, এটি মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির হাচি, কাশি বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে, বাতাসে ছড়ায় এবং সুস্থ মানুষের শরীর স্বাস নালীর দিয়ে প্রবেশ করে ,আক্রান্ত ব্যক্তি ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমেও এ রোগ ছড়ায়, হাম রোগের ভাইরাস বাতাসে ২ ঘন্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে, এ রোগ আক্রমণের সময় বা ফুসকুড়ি বের হওয়ার চারদিন আগ থেকেই পরবর্তী চার পাঁচ দিন পর্যন্ত বেশি ছড়ায়, সাধারণত যাদের হামের টিকা দেওয়া না থাকলে এ রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা দ্রুত আক্রান্ত হয়, ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ১০থেকে ১৪ দিন পর লক্ষণ দেখা দেয় ,যেমন জ্বর ,সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং পরে সারা শরীরে রেস ফুসকুড়ি দেখা দেয় ,
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল এম আর(MR) ভ্যাকসিন বা হামের টিকা গ্রহণ করা, হাম রোগীদের থেকে দূরে থাকাএবং দ্রুত ডাক্তারের সনাপন্ন হওয়া।