ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভাবের সাথে লড়াই, মানবিকতায় আলো হানিফ আকনের পাশে দাঁড়ালেন যুবনেতা।

অভাবের সাথে লড়াই, মানবিকতায় আলো হানিফ আকনের পাশে দাঁড়ালেন যুবনেতা।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের মঙ্গলসুখ রোডে ছোট্ট একটি চায়ের দোকানই ছিল হানিফ আকনের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু অভাবের কঠিন বাস্তবতায় সেই দোকানটিও ছিল প্রায় শূন্য চা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি ফ্লাক্স পর্যন্ত ছিল না তার কাছে।
ছয় মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে হানিফ আকনের সংসার যেন নিত্যদিনের সংগ্রামের আরেক নাম। প্রতিদিনই জীবিকার তাগিদে দোকান খুললেও পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পারতেন না তিনি। ফলে আয় রোজগারও ছিল অতি সামান্য, যা দিয়ে পরিবার চালানো ছিল প্রায় অসম্ভব।
এমন হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির খবর পেয়ে এগিয়ে আসেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হাজী মো.আবুল হাসনাত রিমন সিকদার। মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি বুধবার রাতে নিজে ছুটে গিয়ে হানিফ আকনকে একটি চায়ের ফ্লাক্স, কাপসহ নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন।
এই সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন হানিফ আকন। কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি কেউ এভাবে আমার পাশে দাঁড়াবে। এই সহায়তা আমার জন্য নতুন করে বাঁচার আশা জাগিয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয় এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জোগায়। তারা আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানরা এগিয়ে এলে হানিফ আকনের মতো অনেকেই নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।
মানবিকতার এই ছোট্ট উদ্যোগই যেন প্রমাণ করে সামান্য সহায়তাও বদলে দিতে পারে একটি পরিবারের ভাগ্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

অভাবের সাথে লড়াই, মানবিকতায় আলো হানিফ আকনের পাশে দাঁড়ালেন যুবনেতা।

আপডেট সময় : ০৯:০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের মঙ্গলসুখ রোডে ছোট্ট একটি চায়ের দোকানই ছিল হানিফ আকনের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু অভাবের কঠিন বাস্তবতায় সেই দোকানটিও ছিল প্রায় শূন্য চা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি ফ্লাক্স পর্যন্ত ছিল না তার কাছে।
ছয় মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে হানিফ আকনের সংসার যেন নিত্যদিনের সংগ্রামের আরেক নাম। প্রতিদিনই জীবিকার তাগিদে দোকান খুললেও পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পারতেন না তিনি। ফলে আয় রোজগারও ছিল অতি সামান্য, যা দিয়ে পরিবার চালানো ছিল প্রায় অসম্ভব।
এমন হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির খবর পেয়ে এগিয়ে আসেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হাজী মো.আবুল হাসনাত রিমন সিকদার। মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি বুধবার রাতে নিজে ছুটে গিয়ে হানিফ আকনকে একটি চায়ের ফ্লাক্স, কাপসহ নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন।
এই সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন হানিফ আকন। কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি কেউ এভাবে আমার পাশে দাঁড়াবে। এই সহায়তা আমার জন্য নতুন করে বাঁচার আশা জাগিয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয় এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জোগায়। তারা আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানরা এগিয়ে এলে হানিফ আকনের মতো অনেকেই নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।
মানবিকতার এই ছোট্ট উদ্যোগই যেন প্রমাণ করে সামান্য সহায়তাও বদলে দিতে পারে একটি পরিবারের ভাগ্য।