ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের অন্যান্য আসনের ন্যায় ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনে জমে উঠেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

দেশের অন্যান্য আসনের ন্যায় ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনে জমে উঠেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

বিজয়ী হতে ৬ প্রার্থী মাঠে নির্ঘুম দিন পার করছে। মাঠে ৬ প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে ৩ জন। অন্য ৩ জন রয়েছে ব্যাকফুটে।
জানাগেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এ আসনে মোট ৮ জন মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে। যথাসময়ে জমা দেয় ৬ জন। ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও বাতিল হয়ে লাঙ্গল প্রতীকের এম এ হালিমের মনোনয়নপত্র। পরে আপিলে যা বৈধ হয়। সরকার ঘোষিত সময়ে বিজয়ী হতে মাঠে নামে ৬ প্রার্থী। বর্তমান এক জরিপে দেখা গেছে এ আসনে জামায়াত, সতন্ত্র, ও ধানের শীষের মধ্যে নির্বাচন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। থানা বিএনপির সভাপতি এম ইকবাল হোসেন দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কলস নিয়ে নির্বাচনী মাঠে। ফলে ধানের শীষের প্রার্থী নিবন্ধনহীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশীদ আহমাদ কিছুটা বিপাকে। এক দলীয় ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বড়ো অংশ কলসের সাথে থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর অবস্থা নড়বড়ে। দাঁড়ি পাল্লায় দলীয় কোন্দল না থাকায় প্রার্থী গাজী এনামুল হক রয়েছে খোশমেজাজে। এ আসনে যেই নির্বাচিত হোক তাঁর মুল প্রতিপক্ষ জামায়াত প্রার্থী। বর্তমান এই ৩ জনের মধ্যে রয়েছে বিজয়ী হাসির সম্ভাবনা।
নির্বাচনে শেষ বলতে কোন কথা নেই। হাল না ছেড়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা নিয়ে জয়নাল আবেদীন টিপু, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ হালিম সহ ফুটবল প্রতীক নিয়ে সতন্ত্র প্রার্থী।
সরকার ঘোষিত তফসিলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ১২ ফেব্রুয়ারি কার মুখে শেষ হাসি ফুটবে তা দেখার অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

দেশের অন্যান্য আসনের ন্যায় ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনে জমে উঠেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

আপডেট সময় : ১০:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিজয়ী হতে ৬ প্রার্থী মাঠে নির্ঘুম দিন পার করছে। মাঠে ৬ প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে ৩ জন। অন্য ৩ জন রয়েছে ব্যাকফুটে।
জানাগেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এ আসনে মোট ৮ জন মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে। যথাসময়ে জমা দেয় ৬ জন। ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও বাতিল হয়ে লাঙ্গল প্রতীকের এম এ হালিমের মনোনয়নপত্র। পরে আপিলে যা বৈধ হয়। সরকার ঘোষিত সময়ে বিজয়ী হতে মাঠে নামে ৬ প্রার্থী। বর্তমান এক জরিপে দেখা গেছে এ আসনে জামায়াত, সতন্ত্র, ও ধানের শীষের মধ্যে নির্বাচন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। থানা বিএনপির সভাপতি এম ইকবাল হোসেন দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কলস নিয়ে নির্বাচনী মাঠে। ফলে ধানের শীষের প্রার্থী নিবন্ধনহীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশীদ আহমাদ কিছুটা বিপাকে। এক দলীয় ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বড়ো অংশ কলসের সাথে থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর অবস্থা নড়বড়ে। দাঁড়ি পাল্লায় দলীয় কোন্দল না থাকায় প্রার্থী গাজী এনামুল হক রয়েছে খোশমেজাজে। এ আসনে যেই নির্বাচিত হোক তাঁর মুল প্রতিপক্ষ জামায়াত প্রার্থী। বর্তমান এই ৩ জনের মধ্যে রয়েছে বিজয়ী হাসির সম্ভাবনা।
নির্বাচনে শেষ বলতে কোন কথা নেই। হাল না ছেড়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা নিয়ে জয়নাল আবেদীন টিপু, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ হালিম সহ ফুটবল প্রতীক নিয়ে সতন্ত্র প্রার্থী।
সরকার ঘোষিত তফসিলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ১২ ফেব্রুয়ারি কার মুখে শেষ হাসি ফুটবে তা দেখার অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।