ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বানিয়াচংয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরির অভিযোগ।

বানিয়াচংয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরির অভিযোগ

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৯ নম্বর পুকড়া ইউনিয়নের সাতগ্রাম একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রানা লাল দাশের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন চাকরি করা এবং কাম্য অভিজ্ঞতা ছাড়াই উচ্চতর গ্রেডে বেতন-ভাতা উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে নীরেশ চন্দ্র দাশ নামে এক ব্যক্তি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রানা লাল দাশ ১৪ জানুয়ারি ১৯৯৬ সালে সাতগ্রাম একতা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা লঙ্ঘন করে তৎকালীন সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ তারিখে নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান দেখান, যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও অভিযোগ করা হয়, প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা বিএড হলেও রানা লাল দাশের কাছে বৈধ বিএড সনদ ছিল না। পরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’ থেকে জাল বিএড সনদ সংগ্রহ করে প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ গ্রহণ করেন এবং এমপিওভুক্ত হন।

এছাড়াও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ৮ম গ্রেড এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে অতিরিক্ত ৩ বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতায় ৭ম গ্রেড প্রাপ্তির বিধান থাকলেও রানা লাল দাশ জাল সনদের মাধ্যমে মাত্র ১১ বছর ১০ মাসেই ৭ম গ্রেডে বেতন উত্তোলন করেন, যা সরকারি বিধি-বিধানের পরিপন্থি।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী নীরেশ চন্দ্র দাশ ভুয়া নিয়োগ বাতিল, জাল সনদে চাকরি গ্রহণের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত সরকারি অর্থ কোষাগারে ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রানা লাল দাসের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত বলা যাবে। সৌমিত্র কুমার দাস

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বানিয়াচংয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরির অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০১:০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৯ নম্বর পুকড়া ইউনিয়নের সাতগ্রাম একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রানা লাল দাশের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন চাকরি করা এবং কাম্য অভিজ্ঞতা ছাড়াই উচ্চতর গ্রেডে বেতন-ভাতা উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে নীরেশ চন্দ্র দাশ নামে এক ব্যক্তি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রানা লাল দাশ ১৪ জানুয়ারি ১৯৯৬ সালে সাতগ্রাম একতা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা লঙ্ঘন করে তৎকালীন সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ তারিখে নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান দেখান, যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও অভিযোগ করা হয়, প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা বিএড হলেও রানা লাল দাশের কাছে বৈধ বিএড সনদ ছিল না। পরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’ থেকে জাল বিএড সনদ সংগ্রহ করে প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ গ্রহণ করেন এবং এমপিওভুক্ত হন।

এছাড়াও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ৮ম গ্রেড এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে অতিরিক্ত ৩ বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতায় ৭ম গ্রেড প্রাপ্তির বিধান থাকলেও রানা লাল দাশ জাল সনদের মাধ্যমে মাত্র ১১ বছর ১০ মাসেই ৭ম গ্রেডে বেতন উত্তোলন করেন, যা সরকারি বিধি-বিধানের পরিপন্থি।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী নীরেশ চন্দ্র দাশ ভুয়া নিয়োগ বাতিল, জাল সনদে চাকরি গ্রহণের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত সরকারি অর্থ কোষাগারে ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রানা লাল দাসের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত বলা যাবে। সৌমিত্র কুমার দাস