ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টির প্রভাবে নি/হ/ত ৬১

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টির প্রভাবে নি/হ/ত ৬১

আফগানিস্তানে টানা তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টিপাতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মাত্র তিন দিনে দেশটিতে অন্তত ৬১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। পাশাপাশি আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ, আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে অন্তত ৪৫৮টি বাড়ি। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ শনিবার এসব তথ্য জানিয়েছে।

আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএনডিএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

সংস্থাটি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক মানচিত্র প্রকাশ করে জানিয়েছে, প্রাথমিক হিসাবে এ দুর্যোগে অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন এবং ৪৫৮টি বাড়ি আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

এএনডিএমএ-এর মুখপাত্র এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘৩৬০টি পরিবার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ পাশাপাশি জনসাধারণকে তুষারাচ্ছন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, অধিকাংশ মানুষ মারা গেছে ঘরের ছাদ ও তুষারধসের ঘটনায়। এছাড়া তীব্র শীত ও হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রার কারণে অনেকেই ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা ও ফ্রস্টবাইটে প্রাণ হারিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টির প্রভাবে নি/হ/ত ৬১

আপডেট সময় : ১১:১৪:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
আফগানিস্তানে টানা তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টিপাতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মাত্র তিন দিনে দেশটিতে অন্তত ৬১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। পাশাপাশি আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ, আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে অন্তত ৪৫৮টি বাড়ি। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ শনিবার এসব তথ্য জানিয়েছে।

আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএনডিএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

সংস্থাটি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক মানচিত্র প্রকাশ করে জানিয়েছে, প্রাথমিক হিসাবে এ দুর্যোগে অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন এবং ৪৫৮টি বাড়ি আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

এএনডিএমএ-এর মুখপাত্র এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘৩৬০টি পরিবার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ পাশাপাশি জনসাধারণকে তুষারাচ্ছন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, অধিকাংশ মানুষ মারা গেছে ঘরের ছাদ ও তুষারধসের ঘটনায়। এছাড়া তীব্র শীত ও হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রার কারণে অনেকেই ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা ও ফ্রস্টবাইটে প্রাণ হারিয়েছেন।