নওগাঁর বদলগাছীতে বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। পৌষের শুরু থেকেই নওগাঁয় ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পারদ উঠানামা করলেও শনিবার সকাল ৯টায় নওগাঁর এ নিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়।
পৌষের মাঝামাঝি এসে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। সূর্যের দেখা মিলছে না বলেই চলে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। দিনের বেলাতেও ছোট-বড় যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। এমন কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন থেকে কুয়াশার পাশাপাশি ঠান্ডা বাতাস বইতে থাকায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে তুলনামূলকভাবে গত কয়েক দিনের চেয়ে আজকের কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ। খড়কুটো জ্বালিয়ে মানুষদের শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
বদলগাছী সদর উপজেলার চার্জার ভ্যানচালক রফিক মন্ডল বলেন, ‘গত কয়েকদিন থেকে আজকে শীত অনেক বেশি। ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। হাত কাঁপাকাঁপি করে হ্যান্ডেল ভালো করে ধরে রাখা যায় না। লোকজনও সেভাবে বাইরে বের হচ্ছে না। পেটের দায়ে ঠান্ডা লাগলেও বাইরে আসতে হচ্ছে।’
শহরের বিভিন্ন সড়কও জনশূন্য অবস্থায় দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে হচ্ছে না।
নওগাঁর বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, সকাল ৯টায় জেলায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে গতকাল তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসাবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এই জেলার তাপমাত্রা কমেছে ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় শীত আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় ঢাকা শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষদের পেটে লাথি পড়বে। তবে সকাল থেকেই সামান্য রোদের দেখা মিললে জনমনে স্বস্তি ফিরে আসবে বলেই আশা করছেন স্থানীয়রা।
বিশেষ প্রতিনিধি: 



















